বেদ থেকে ডিজিটাল যুগ! জনকল্যাণই ভারতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার মূল মন্ত্র, ভোপালে মন্তব্য প্রো. সঞ্জয় দ্বিবেদীর

ভারতীয় যোগাযোগ বা সংবাদ আদান-প্রদানের সংস্কৃতি কেবল তথ্য আদান-প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর মূলে রয়েছে সমাজকল্যাণ বা ‘লোক-মঙ্গল’। মঙ্গলবার ভোপালের এলএনসিটি ইউনিভার্সিটিতে (LNCT University) আয়োজিত এক বিশেষ বক্তৃতায় এই অভিমত ব্যক্ত করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মাস কমিউনিকেশন (IIMC)-এর প্রাক্তন মহানির্দেশক প্রো. (ডঃ) সঞ্জয় দ্বিবেদী।
ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা ও বর্তমান সংবাদমাধ্যম: ‘ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা এবং যোগাযোগ’ বিষয়ের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রো. দ্বিবেদী বলেন, ভারতের চিরাচরিত জ্ঞান ব্যবস্থা সবসময়ই সংলাপ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনচেতনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তাঁর মতে, বেদ, উপনিষদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন লোকগাথা এবং সাংস্কৃতিক আখ্যানের মধ্যে যে যোগাযোগের উপাদানগুলি রয়েছে, তা আধুনিক গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার জন্য একটি শক্তিশালী আদর্শগত ভিত্তি প্রদান করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বিশ্বায়ন ও ডিজিটাল যুগের এই সময়ে ভারতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার ঐতিহ্যকে নতুন করে পাঠ করা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
সাফল্যের সঙ্গে অনুষ্ঠান সম্পন্ন: এলএনসিটি ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন এবং আইকিউএসি (IQAC)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় প্রধান প্রো. ডঃ অনু শ্রীবাস্তব। অনুষ্ঠানের শেষে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করা হয়, যেখানে উৎসাহী পড়ুয়ারা ভারতীয় সংবাদ ঐতিহ্য এবং সমসাময়িক মিডিয়ার চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে প্রো. দ্বিবেদীর সঙ্গে আলোচনা করেন।