জমি মাফিয়াদের দাদাগিরি শেষ! খোদ সেনাদের জমি দখল নিয়ে গর্জে উঠলেন যোগী আদিত্যনাথ

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ফের একবার প্রমাণ করলেন যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও সেবায় তিনি কতটা আপোষহীন। সোমবার লখনউতে আয়োজিত ‘জনতা দরশনে’ হাজির হওয়া কয়েকশ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা শোনার সময় এক নজিরবিহীন ঘটনার সম্মুখীন হন তিনি। দেশের সীমান্ত রক্ষা করা সেনাদের জমি জবরদখলের অভিযোগ পেতেই কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেনার জমি দখল: কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর হাপুর জেলা থেকে আসা দুই জওয়ান মুখ্যমন্ত্রীকে জানান যে, তাঁরা দুজনেই সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তাঁদের পিতা দৃষ্টিহীন। এই সুযোগে তাঁদেরই পরিবারের কিছু অপরাধী চরিত্রের আত্মীয় গায়ের জোরে ও আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে পৈত্রিক জমি দখল করে নিয়েছে। অভিযোগ শুনে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ হাপুর জেলা প্রশাসনকে তদন্তের নির্দেশ দেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। যোগী স্পষ্ট জানান, যারা দেশের সেবা করছে, তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সরকারের প্রধান কর্তব্য।

চিকিৎসার দায়িত্ব নেবে সরকার জনতা দরশনে শুধু অভিযোগ নয়, সাহায্যের আশাতেও এসেছিলেন অনেকে। ক্যানসার ও অন্যান্য জটিল রোগের চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পারা দরিদ্র মানুষদের মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, “হাসপাতাল থেকে এস্টিমেট নিয়ে আসুন, টাকার অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ হবে না। চিকিৎসার দায়িত্ব আমার সরকারের।”

শিশুদের সঙ্গে মিষ্টি মুহূর্ত এদিন জনতা দরশনে অভিভাবকদের সঙ্গে আসা খুদেদের সঙ্গেও সময় কাটান যোগী আদিত্যনাথ। শিশুদের হাতে চকলেট তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি তাদের পড়াশোনায় মন দিতে এবং মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।

সবশেষে মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, যাতে কোনও সাধারণ মানুষ সরকারি অফিসে এসে হয়রানির শিকার না হন। অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেন তিনি।