বিরাটি স্টেশনে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! মুহূর্তের আগুনে ছাই কয়েক লক্ষ টাকার বই, কান্নায় ভেঙে পড়লেন মালিক

আনন্দপুরের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের অগ্নিকাণ্ডের গ্রাসে তিলোত্তমার শহরতলি। শনিবার ভর সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি রেল স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে বিধ্বংসী আগুনের জেরে চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকায়। স্টেশনের একেবারে গা ঘেঁষে থাকা একটি বই ও স্টেশনারি দোকানে প্রথম আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা গোটা দোকানটিকে গ্রাস করে নেয়। চোখের সামনে সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে যেতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন দোকান মালিক।
ঠিক কী ঘটেছিল? স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার সন্ধ্যা নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন ওই বইয়ের দোকান থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। বই, খাতা এবং প্লাস্টিক জাতীয় দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় চোখের পলকে আগুন বিধ্বংসী রূপ নেয়। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন নিত্যযাত্রীরা। আগুনের তেজ এতটাই বেশি ছিল যে পার্শ্ববর্তী আরও দুই-তিনটি দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকা ঢেকে যায় বই পোড়া গন্ধে। কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান।
ট্রেন চলাচলে স্বস্তি: আগুনের শিখা প্ল্যাটফর্মের ওপর পর্যন্ত উঠলেও বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে। রেল সূত্রে খবর, ওভারহেড তার পর্যন্ত আগুন পৌঁছাতে পারেনি, যার ফলে ট্রেন চলাচলের ওপর কোনও প্রভাব পড়েনি। স্থানীয় লোকজন এবং দমকলের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ভর সন্ধ্যায় এমন অগ্নিকাণ্ড স্টেশনের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। শর্ট সার্কিট থেকেই এই বিপত্তি কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও রেল পুলিশ।