তৎকাল ভুলে যান! ট্রেনের কনফার্ম টিকিট পাওয়ার ‘সিক্রেট’ কোটা; সাধারণ মানুষও কি পাবেন এই সুবিধা?

ভারতীয় রেলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম ‘ওয়েটিং লিস্ট’। উৎসবের মরসুম হোক বা জরুরি প্রয়োজন, তৎকাল টিকিট কাটতেও নাজেহাল হতে হয় সাধারণ মানুষকে। কিন্তু আপনি কি জানেন, তৎকাল ছাড়াও রেলের একটি বিশেষ সংরক্ষিত ব্যবস্থা রয়েছে? যার নাম ‘ইমার্জেন্সি কোটা’ (Emergency Quota) বা EQ। এই কোটায় আবেদন করলে শেষ মুহূর্তেও কনফার্ম টিকিট পাওয়া সম্ভব। তবে এই সুবিধার ভাগিদার হওয়ার জন্য রেলের রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম।

কারা পাবেন এই সুবিধা? সাধারণত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের বিচারপতি এবং সাংসদদের মতো উচ্চপদস্থ ব্যক্তিত্বদের জন্য এই কোটা বরাদ্দ থাকে। তবে রেলের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ মানুষও অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে এই কোটার সুবিধা নিতে পারেন। পরিবারের কোনো সদস্যের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থতা বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি চাকরির ইন্টারভিউ থাকলে আপনি ইমার্জেন্সি কোটার জন্য আবেদন করতে পারেন। রেল কর্তৃপক্ষ আবেদনের গুরুত্ব বিচার করে সিট বরাদ্দ করে।

আবেদনের নতুন নিয়ম: সম্প্রতি ভারতীয় রেল এই কোটায় টিকিট পাওয়ার নিয়ম আরও কঠোর করেছে। ইমার্জেন্সি কোটায় কনফার্ম সিট পেতে হলে যাত্রার অন্তত একদিন আগে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে ডিভিশনের কমার্শিয়াল ম্যানেজারের দফতরে লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিপত্র (যেমন- ডেথ সার্টিফিকেট, মেডিক্যাল রিপোর্ট বা ইন্টারভিউ লেটার) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। যথাযথ কারণ ছাড়া এই কোটায় টিকিট পাওয়া বর্তমানে প্রায় অসম্ভব। তবে সঠিক পদ্ধতি জানলে বিপদের সময় এই কোটাই হয়ে উঠতে পারে আপনার শেষ ভরসা।