টাকার পাহাড় জামুরিয়ায়! কয়লা পাচার মামলায় বনসালদের বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ লক্ষ লক্ষ টাকা

রাজ্যে কয়লা ও বালি পাচার মামলার তদন্তে ফের ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। মঙ্গলবার ভোর থেকেই কলকাতা, দুর্গাপুর ও আসানসোলের একাধিক ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। তদন্তের কেন্দ্রে এখন জামুরিয়ার প্রভাবশালী ‘বনসাল’ পরিবার। অভিযোগ, কয়লা পাচারের কালো টাকা সাদা করতে ‘হাওলা’ ও ‘ভাড়াটে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট’ ব্যবহার করত এই পরিবার।
জামুরিয়ায় উদ্ধার টাকার স্তূপ: মঙ্গলবার সকালে জামুরিয়ার ব্যবসায়ী রাজেশ বনসালের বাড়িতে তল্লাশি চলাকালীন দুই ব্যাঙ্ক কর্মীকে বড় বড় বস্তা নিয়ে ঢুকতে দেখা যায়। সূত্রের খবর, রাজেশের বাড়ি থেকেই এখনও পর্যন্ত ৬৫ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। টাকা গোনার জন্য আনা হয়েছে মেশিন। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর সন্দেহজনক নথি ও ব্যাঙ্কের পাসবই। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা কেনাবেচার ক্ষেত্রে মিটিয়েটর হিসেবে কাজ করত রাজেশের ট্রেডিং সংস্থা।
তদন্তের পরিধি: অভিযান চলেছে রাজেশ বনসালের দুই ছেলে সুমিত ও অমিত বনসালের আবাসনেও। অন্যদিকে, আসানসোলের রানিগঞ্জ, জামুরিয়া বাজার সংলগ্ন গুদাম এবং পাঞ্জাবি মোড়ের হার্ডওয়্যার দোকানেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। শুধু ব্যবসায়ী নয়, তদন্তের আঁচ পৌঁছেছে পুলিশ মহলেও। দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। মনে করা হচ্ছে, কয়লা পাচারের এই আর্থিক জাল অনেক গভীরে বিস্তৃত।