“কেউ জানে না ও কোন দিকে যাবে”, হুমায়ুন কবীর ইস্যুতে কৌশলী অবস্থান বিজেপির, কোন ইঙ্গিত দিলেন সুকান্ত?

তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও, তাঁকে নিয়ে এখনই অবস্থান স্পষ্ট করতে নারাজ বিজেপি। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদারের একটি মন্তব্য সেই জল্পনার আগুনে নতুন করে ঘি ঢেলেছে। হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে, তা নিয়ে আপাতত ‘অপেক্ষা করো এবং দেখো’ (Wait and Watch) নীতি নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না। কেউই জানেন না এই মানুষটা শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যাবেন।” সুকান্তের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হুমায়ুন কবীর নিজের অবস্থান স্পষ্ট না করা পর্যন্ত বিজেপি কোনও রকম ঝুঁকির পথে হাঁটতে চাইছে না। এটি মূলত একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশল, যেখানে পরিস্থিতি বিচার করেই চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুমায়ুন কবীর একজন প্রভাবশালী এবং বর্ণময় রাজনৈতিক চরিত্র। তাঁর জনভিত্তি ও প্রভাব নির্বাচনে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। এই মুহূর্তে তিনি যদি কোনওভাবে অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, তবে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া বিজেপির জন্য বুমেরাং হতে পারে। তাই সুকান্ত মজুমদারের মাধ্যমে দল এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, হুমায়ুন কবীরের প্রতিটি পদক্ষেপ এখন কড়া পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
সুকান্ত মজুমদার আরও যোগ করেন, “আমরা এই মুহূর্তে কোনো রূপরেখা প্রকাশ করতে চাই না। হুমায়ুনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে আমরা সকল সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছি।” এই মুহূর্তে বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে হুমায়ুন কবীর নিজে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান খোলসা করুন। শেষ পর্যন্ত তিনি পদ্ম শিবিরে নাম লেখান কি না, নাকি অন্য কোনও বড় চমক দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক কারবারিরা।