“এক্স-এর চেয়ে ভূত অনেক ভালো!” প্রাক্তনের সঙ্গে রাত কাটানো নিয়ে বিস্ফোরক ঋতাভরী-অঙ্কুশ-মীর।

শীতের মরসুমে বড়পর্দায় এবার মজার মোড়কে হাজির হতে চলেছে এক অদ্ভুতুড়ে ভূতের গল্প। জানুয়ারিতেই মুক্তি পেতে চলেছে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের প্রযোজনায় এবং অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নতুন ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’। আর এই ছবির প্রচারেই একজোট হয়েছিলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী, অঙ্কুশ হাজরা, মীর আফসর আলি এবং মালবিকা সেনরা। ভূতের গল্পের আড়ালে বেরিয়ে এল তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের মজাদার সব গোপন তথ্য।
প্রচার চলাকালীন ঋতাভরীকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি যদি আচমকা ভূত হয়ে যান, তবে কাকে ভয় দেখাবেন? বিন্দুমাত্র দেরি না করে নায়িকা জানান, তাঁর প্রেমিক সুমিত ছাড়া আর কারও কথা তিনি ভাবতেই পারছেন না। অন্যদিকে মীর তাঁর স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় জানান, তিনি পরিচালক অনীক দত্তকে ভয় দেখাতে চান। কারণ একটি ছবিতে তাঁকে কাস্ট করার পর থেকে নাকি সেই চরিত্রের ভূত মীরকে আজও তাড়া করে বেড়াচ্ছে!
ভূতের রাজার থেকে বর চাওয়ার প্রশ্নেও একেকজন একেক রকম দাবি পেশ করেছেন। ঋতাভরী চান স্পর্শ করলেই যেন সব টাকা হয়ে যায় এবং তিনি যেন সবার ষড়যন্ত্র আগেভাগে শুনতে পান। অঙ্কুশ হতে চান অদৃশ্য, আর মালবিকা সেনের ইচ্ছে সারা জীবন সুন্দরী থাকা। মীর অবশ্য চেয়েছিলেন মানুষের মনের কথা পড়ে নিয়ে নতুন গল্প তৈরি করতে।
সবচেয়ে মজাদার মোড় আসে যখন তারকাদের সামনে অপশন রাখা হয়—’প্রাক্তন নাকি ভূত? এক রাত কার সঙ্গে কাটাবেন?’ প্রত্যেকেই একবাক্যে উত্তর দেন, প্রাক্তনের (Ex) সঙ্গে রাত কাটানোর চেয়ে ভূতের সঙ্গে থাকা অনেক বেশি নিরাপদ ও আরামদায়ক! তবে অঙ্কুশ রসিকতা করে জানতে চান, “ভূতটা ছেলে না মেয়ে?” শুধু তাই নয়, অঙ্কুশ খোলাখুলি স্বীকার করেন যে তিনি বাস্তবে সবচেয়ে বেশি ভয় পান ঐন্দ্রিলা সেনকে। তাঁর মতে, ঐন্দ্রিলার মেজাজ ভূতের মতোই অনিশ্চিত! অন্যদিকে ঋতাভরী ভয় পান পরিচালক অরিত্রকে এবং মীর সবচেয়ে বেশি ভয় পান নিজের মাকে। সব মিলিয়ে ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’-এর এই অভিনব প্রচার এখন টলিপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।