মমতাবালা বনাম শান্তনু, ঠাকুরবাড়ির লড়াই এবার আদালতের দোরগোড়ায়, একজনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ

মতুয়া ঠাকুরবাড়ির অন্দরে মমতাবালা ঠাকুর ও শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীদের মধ্যেকার সংঘাত এবার আইনি লড়াইয়ে রূপ নিল। বুধবারের মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে বরুণ বিশ্বাস নামে শান্তনু ঠাকুরের এক অনুগামীকে গ্রেফতার করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ। ধৃত বরুণ বাগদার হেলেঞ্চা এলাকার বাসিন্দা। এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বনগাঁ মহকুমা আদালত চত্বরে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়।

মমতাবালার বিস্ফোরক অভিযোগ: পুলিশি তৎপরতায় খুশি তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। তিনি বলেন, “ঠাকুরবাড়ির ইতিহাসে এমন নক্কারজনক ঘটনা আগে ঘটেনি। শান্তনু বিজেপি ক্যাডারদের দিয়ে সাধারণ মতুয়া ভক্তদের মার খাইয়েছেন, মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিশ ভালো কাজ করেছে, আমরা চাই বাকি ১২ জনকেও দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।”

পাল্টা চাল শান্তনু শিবিরের: অন্যদিকে, এই গ্রেফতারিকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীরা। মতুয়া মহাসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক সুখেন্দ্রনাথ গাইনের দাবি, বরুণ বিশ্বাস ওইদিন ঘটনাস্থলেই ছিলেন না, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। শান্তনু ঠাকুর নিজেও পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং লোকসভার স্পিকারের কাছে। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে মমতাবালার লোকেরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।