বর্ষবরণে দিঘায় উপচে পড়া ভিড়! হোটেল বুকিং প্রায় শেষ, নতুন বছরে ১ কোটির মাইলফলক ছুঁতে চলেছে জগন্নাথ মন্দির!

হাতে মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরই দরজায় কড়া নাড়ছে ২০২৬। ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে বাঙালির সবথেকে পছন্দের গন্তব্য দিঘায় এখন তিল ধারণের জায়গা নেই। একদিকে বড়দিন ও উইকেন্ডের ছুটি, অন্যদিকে দিঘার নয়া আকর্ষণ জগন্নাথ মন্দির— সব মিলিয়ে এবার পূর্ব মেদিনীপুরের এই সৈকত শহরে পর্যটনের সব রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।
হোটেল বুকিং ও পর্যটকদের ঢল: দিঘা শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে খবর, বড়দিন ও ১ জানুয়ারির জন্য ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশের বেশি হোটেল রুম বুক হয়ে গিয়েছে। হোটেল ম্যানেজারদের দাবি, ২৫ ডিসেম্বরের আগেই বাকি সব ঘর বুক হয়ে যাবে। গত বছরের তুলনায় এবার ভিড় আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
মাইলফলকের মুখে জগন্নাথ মন্দির: মহাসমারোহে দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন হওয়ার পর থেকে সেখানে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ছে। অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী জানিয়েছেন:
গত সাত মাসে প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষ মন্দির দর্শন করেছেন।
বছরের শেষ লগ্ন বা ১ জানুয়ারির মধ্যেই ভক্ত সমাগম ১ কোটির মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলবে।
সতর্ক প্রশাসন ও কালোবাজারি রোখার লড়াই: ভিড়ের সুযোগ নিয়ে অনেক সময় হোটেলের ঘরের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এই কালোবাজারি রুখতে জেলা প্রশাসন ও হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন কড়া অবস্থান নিয়েছে। সভাপতি সুশান্ত পাত্র সাফ জানিয়েছেন:
“কোনো পর্যটকের থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ এলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পর্যটকদের সুবিধার্থে প্রশাসন ও অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে নজরদারি চালাচ্ছে।”
পর্যটকদের জন্য টিপস: আপনি যদি বর্ষবরণে দিঘার সমুদ্র সৈকতে বা জগন্নাথ মন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে অগ্রিম বুকিং ছাড়া যাওয়া ঝুকিপূর্ণ হতে পারে। শেষ মুহূর্তে ঘর পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়াবে।