কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ, দায়িত্ব নিলেন আশুতোষ ঘোষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে একাধিক চ্যালেঞ্জ

প্রায় তিন বছরের দীর্ঘ অচলাবস্থার পর অবশেষে স্থায়ী উপাচার্য পেল ১৬৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (Calcutta University)। আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের অনুমোদনে বুধবার রাজ্যের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নাম চূড়ান্ত হয়। এদের মধ্যে প্রথম দায়িত্ব নিলেন আশুতোষ ঘোষ।কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ স্থায়ী উপাচার্য হিসেবে সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব সামলেছিলেন ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর অস্থায়ী উপাচার্য হিসাবে আশিস চট্টোপাধ্যায় এবং ২০২৩ সালের জুনে রাজ্যপাল মনোনীত শান্তা দত্ত দে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব নেন, যা নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে মতবিরোধ শুরু হয়েছিল।স্থায়ী উপাচার্যের সামনে বিশাল চ্যালেঞ্জ:দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী উপাচার্য না থাকা এবং নিয়োগে বিলম্বের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান এবং প্রশাসনিক কাজকর্মে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। নতুন উপাচার্যের সামনে এই শূন্যতা পূরণ করাটাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।পদশেষ নিয়োগশূন্য পদের পরিমাণঅধ্যাপক/শিক্ষক২০১৭-২০১৮ সালপ্রায় ৫৯ শতাংশ পদ শূন্যপ্রশাসনিক আধিকারিক২০২০ সাল৩০-৪০ শতাংশ ঘাটতিস্থায়ী শিক্ষাকর্মী২০০৭-২০০৮ সাল (১৮ বছর আগে)প্রায় ৭০ শতাংশ পদ খালিআইনি জটিলতা ও মুশকিল আসান:রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে আইনি জটিলতা দীর্ঘদিন ধরে সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে ছিল। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই সমস্যার সমাধান খুঁজতে একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা করে কমিটি তৈরি করে দেয়। সেই কমিটির সুপারিশ রূপায়ণের পর অবশেষে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের পথ সুগম হলো।