তোষাখানার রহস্য ফাঁস! বাঁকে বিহারী মন্দিরের বেসমেন্ট থেকে যা উদ্ধার হলো, তা দেখে হতবাক সকলে

ধনতেরাস এবং দীপাবলির উৎসবের আগে খবরের শিরোনামে উত্তরপ্রদেশের মথুরা-বৃন্দাবনের বিখ্যাত বাঁকে বিহারী মন্দির। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর মন্দিরের গর্ভগৃহ সংলগ্ন তোষাখানা বা রত্নভাণ্ডারের দরজা খোলা হয়েছে। এর আগে এই ভাণ্ডারটি শেষবার খোলা হয়েছিল ১৯৭১ সালে।

তোষাখানায় কী পাওয়া গেল?

সুপ্রিম কোর্টের নিযুক্ত কমিটির তত্ত্বাবধানে মথুরার এই উনিশ শতকের মন্দিরের রত্নভাণ্ডার খোলা হয়। মন্দিরের গোস্বামী সদস্য দীনেশ গোস্বামী সাংবাদিকদের জানান, তোষাখানার একটি লম্বা বাক্সের ভিতর থেকে একটি চকচকে সোনার বাট এবং তিনটি রুপোর বাট উদ্ধার করা হয়েছে। এই বাটগুলি ৩ থেকে ৪ ফুট লম্বা এবং সেগুলিতে সিঁদুরের ছাপ লাগানো রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এগুলি হোলি উৎসবে ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছিল।

এছাড়াও, কিছু লাল ও সবুজ রঙের মূল্যবান রত্ন, ১৯৪২ সালের দিকের মূল্যবান বেশ কিছু মুদ্রা এবং বিভিন্ন ধাতুর তৈরি বাসনপত্র উদ্ধার হয়েছে। মন্দিরের এক সদস্য জানান, মূল্যবান রত্ন এবং পাত্র পাওয়া গেলেও সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়া যায়নি।

দ্বিতীয়বার পরিদর্শনে ফাঁকা বেসমেন্ট:

গোস্বামী সদস্য দীনেশ গোস্বামী আরও ব্যাখ্যা করেন যে, নীচে মাটির নীচের ঘরটি সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল। উল্লেখ্য, রত্নভাণ্ডারের ভেতরে কী আছে, তা নিয়ে গত ৫১ বছর ধরে নানা গল্পগাথা ছড়িয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্ট গত আগস্ট মাসে মন্দিরের দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখাশোনার জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারক অশোক কুমারের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি গঠন করেছিল। রবিবার দলটি দ্বিতীয়বার মন্দির পরিদর্শন করে বেসমেন্টের ভিতরে প্রবেশ করে, কিন্তু সেখানে আর কিছুই পাওয়া যায়নি বলে এক সদস্য জানিয়েছেন।