জানেন কি বাংলার শেষ বাসস্ট্যান্ড কোনটি? এই স্টপেজ পেরোলেই অন্য রাজ্য, উত্তর শুনলে চমকে যাবেন!

ভারত বৈচিত্র্যের দেশ। ভাষা, সংস্কৃতি, আচার-আয়োজন—সবই আলাদা। একটা বেড়ার এদিক ওদিক দুটি আলাদা রাজ্য, আলাদা প্রশাসনিক ক্ষেত্র। কিন্তু জানেন কি পশ্চিমবঙ্গের একদম শেষ প্রান্তে কোন বাসস্ট্যান্ডটি অবস্থিত? যেখান থেকে শুরু হয়ে যায় প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা?
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানার সোলপাট্টা এলাকায় রয়েছে বাংলার এই শেষ বাসস্ট্যান্ড। ভৌগোলিকভাবে এই বাসস্ট্যান্ডের গা ঘেঁষেই শুরু হচ্ছে ওড়িশা রাজ্য। তাই এই ‘সোলপাট্টা’ বাসস্ট্যান্ডকে বলা হয় বাংলার শেষ বাসস্ট্যান্ড।
মেদিনীপুর শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে দাঁতন থানার সোলপাট্টা হল পশ্চিমবঙ্গের শেষ সীমানা। এখানে বেশ কয়েক দশক ধরেই একটি সরকারি বাসস্ট্যান্ড রয়েছে। একইভাবে দাঁতন থানার সোনাকোনিয়াতেও রয়েছে অপর একটি বাসস্ট্যান্ড, যার গা থেকেও শুরু হচ্ছে ওড়িশা রাজ্য। যদিও সোলপাট্টা বাসস্ট্যান্ডই পরিচিতি পেয়েছে বাংলার শেষ বাসস্ট্যান্ড হিসেবে।
স্থানীয়দের দাবি, এই সোলপাট্টা বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন কলকাতার উদ্দেশ্যে, মেদিনীপুর এবং কাঁথিগামী একাধিক বাস চলাচল করে। শুধু তাই নয়, সোলপাট্টা থেকেই সরাসরি ওড়িশার বিভিন্ন গন্তব্যে বাস যায়।
যেহেতু এটি দুই রাজ্যের মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, তাই স্বাভাবিকভাবেই এখানে রয়েছে মিশ্র সংস্কৃতি, ভাষাভাষীর মানুষ এবং মিশ্র ঐতিহ্য। বছরের পর বছর ধরে বাংলার এই শেষ বাসস্ট্যান্ডে ভিড় থাকে সাধারণ মানুষের। এখান থেকে অনেকেই কখনও ওড়িশা আবার কখনও কলকাতার উদ্দেশ্যে যাতায়াত করেন।
এই বাসস্ট্যান্ডটি শুধু একটি পরিবহন কেন্দ্র নয়, এটি দুই রাজ্যের সীমানায় দাঁড়িয়ে থাকা এক বিশেষ মিলনস্থল, যা এর স্থানীয় গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।