‘বেনারস যেন বারবার ডাকে’! ‘মীর্জাপুর’ শ্বেতা ত্রিপাঠীর জীবনে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই শহর?

অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠীর (Shweta Tripathi) জীবনের বৃত্ত যেন বেনারস শহরে এসেই পূর্ণতা পেয়েছে। যে শহর থেকে তাঁর কেরিয়ারের প্রথম সিনেমা ‘মাসান’-এর যাত্রা শুরু, সেই শহরকে কেন্দ্র করেই নির্মিত ওয়েব সিরিজ ‘মীর্জাপুর’ তাঁকে জনপ্রিয়তার শিখরে নিয়ে গিয়েছে। এই আত্মিক সম্পর্কের টানেই সম্প্রতি বেনারসের গঙ্গা ঘাটে তাঁকে দেখা গেল আরতি ও পুজো করতে।
‘মীর্জাপুর: দ্য ফিল্ম’-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকার ফাঁকেই সময় বের করে পবিত্র এই শহরে ছুটে এসেছেন শ্বেতা। আবেগতাড়িত অভিনেত্রী জানান, “এই শহর আমাকে বারবার ডাকে। আমি এই শহরে সেই ‘মাসান’ সিনেমার সময় থেকে আসছি।” কেবল অভিনয় নয়, ব্যক্তিগত জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিকও এই শহরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শ্বেতার। তিনি বলেন, “আমার দাদু বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা করেছেন। আমার মা তাঁর বিয়েতে এই বেনারসের লহেঙ্গা পরেছিলেন। আসলে এই শহর আমার জীবনের সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে রয়েছে।”
‘মীর্জাপুর’ সিরিজের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবেও বেনারসের গুরুত্ব অপরিসীম। অভিনেত্রী আরও বলেন, “মির্জাপুর-এর শিকড়ও এই অঞ্চলে। এই সবকিছুর জন্যই বেনারস আমার হৃদয়ে বাস করে। এখানকার খাবার, কুলহাড় চায়ের স্বাদ এবং মানুষের সরলতা আমাকে মুগ্ধ করে।” শ্বেতার মতে, আজকাল মনে হয়, এখানকার আবহাওয়াও যেন তাঁদের দু’হাত খুলে স্বাগত জানাচ্ছে।
‘মীর্জাপুর’-এর জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে শ্বেতা জানান, অনুরাগীরা এখন তাঁদের পরিবারের অংশ। “মির্জাপুরের উন্মাদনা এতটাই যে ফ্যানেরা বেনারস জুড়ে আমাদের শুটিংয়ের নানা আপডেট ক্রমাগত পোস্ট করেন। প্রাইম ভিডিয়ো ও এক্সেল এন্টারটেনমেন্টের এই উদ্যোগ এবার আরও বড় হতে চলেছে। সব মিলিয়ে এখন আমরা একটা বিশাল বড় পরিবারে পরিণত হয়েছি,” মন্তব্য করেন তিনি।
ক্রাইম থ্রিলার ওয়েব সিরিজ ‘মীর্জাপুর’-এর সাফল্যের পর এবার ‘মির্জাপুর: দ্য ফিল্ম’ নামে ছবিটি বড়পর্দায় খুব শীঘ্রই মুক্তি পেতে চলেছে। সিরিজে শ্বেতার পাশাপাশি পঙ্কজ ত্রিপাঠি, আলি ফজল, দিব্যেন্দু শর্মা এবং বিক্রান্ত ম্যাসির মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের ম্যাজিক আরও একবার বড়পর্দায় উপভোগ করার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন অনুরাগীরা।