ইংরেজির প্রথম দিকেই তার অবস্থান, অথচ বর্ণমালায় যুক্ত হওয়া শেষ অক্ষর এটি! কারণ জানলে অবাক হবেন।

ইংরেজি বর্ণমালার একেবারে প্রথম দিকেই যার অবস্থান, সেই J অক্ষরটিই আসলে এই বর্ণমালার সবচেয়ে শেষে যুক্ত হয়েছে। শুনতে কিছুটা অবাক লাগলেও, এর পেছনে একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।
একটা সময় পর্যন্ত I এবং J অক্ষর দুটি আলাদাভাবে ব্যবহৃত হতো না। রোমান রীতি অনুযায়ী, I অক্ষরের শেষে একটি ছোট লেজের মতো অংশ দিয়ে J অক্ষরটিকে চিহ্নিত করা হতো। লাতিন এবং ইউরোপীয় ভাষায় I অক্ষরটি একইসঙ্গে স্বরবর্ণ (vowel) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ (consonant) হিসেবে ব্যবহৃত হতো, যার উচ্চারণ অনেকটা Y-এর মতো শোনাতো। J তখন কেবল I-এর শেষে উচ্চারণের একটি রেশ হিসেবেই বিদ্যমান ছিল।
চতুর্দশ শতক থেকে J ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে ধীরে ধীরে নিজের আলাদা পরিচিতি পেতে শুরু করে। তবে ১৫২৪ সালে ইতালীয় রেনেসাঁর ব্যাকরণ পণ্ডিত জিয়ান জর্জিও ট্রিসিনো (Gian Giorgio Trissino) প্রথম J-কে একটি পৃথক অক্ষর হিসেবে আলাদাভাবে চিহ্নিত করেন এবং একে বর্ণমালায় যুক্ত করেন। তাই তাঁকেই J অক্ষরের জনক হিসেবে ধরা হয়।
এরপরই I এবং J দুটি আলাদা উচ্চারণ এবং আলাদা অক্ষর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। আধুনিক ইংরেজি বর্ণমালায় I-এর ঠিক পরেই দশম অক্ষর হিসেবে J নিজের জায়গা করে নেয়। এই ইতিহাসই প্রমাণ করে যে, বর্ণমালার ক্রম অনুসারে J-এর অবস্থান প্রথম দিকে হলেও, এটিই ইংরেজি বর্ণমালায় যুক্ত হওয়া শেষ অক্ষর।