“H-1B ভিসার ফি ৮৮ লাখ টাকা!”-ট্রাম্পের ঘোষণায় ভারতীয় IT পেশাদারদের উদ্বেগ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন এনেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইচ-১বি ভিসার নিয়মে নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে কিছু নন-ইমিগ্র্যান্ট কর্মীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি প্রবেশাধিকার সীমিত হতে পারে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এই ভিসার জন্য আবেদন ফি বাড়িয়ে ১,০০,০০০ ডলার (প্রায় ৮৮ লক্ষ টাকা) করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলির জন্য তেমন সমস্যা না হলেও, ছোট স্টার্টআপ এবং সংস্থাগুলির ওপর এটি ব্যাপক আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে। তবে এই নতুন নিয়মের ফলে প্রকৃত উচ্চ দক্ষ পেশাদাররা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন এবং আমেরিকানদের কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকবে বলে দাবি হোয়াইট হাউসের।

হোয়াইট হাউসের স্টাফ সেক্রেটারি উইল স্কার্ফ এই ভিসা প্রোগ্রামকে ‘সবচেয়ে বেশি অপব্যবহারযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, এই ভিসা এমন উচ্চ দক্ষ পেশাদারদের জন্য, যারা আমেরিকান কর্মীদের বিকল্প নন। এই পদক্ষেপের ফলে নিশ্চিত করা হবে যে যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন তারা সত্যিই যোগ্যতাসম্পন্ন। মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক জানিয়েছেন, বড় সংস্থাগুলি আর সস্তায় বিদেশী কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারবে না। কারণ, তাদের সরকারকে বিপুল পরিমাণ ফি দিতে হবে। এটি দেশীয় কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করবে।

প্রযুক্তি এবং নিয়োগ সংস্থাগুলি এইচ-১বি ভিসার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। গত বছর, প্রায় ৭১% ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার সুবিধা পেয়েছেন। এখন থেকে ভিসার খরচ বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় বহু ভারতীয় পেশাদার এবং তাদের স্পনসরকারী সংস্থাগুলি চাপের মুখে পড়বে। এই পরিবর্তনের ফলে শুধুমাত্র সত্যিকারের উচ্চমানের এবং অনবদ্য দক্ষতার অধিকারী পেশাদাররাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগ পাবেন, যা দেশের শ্রমবাজার এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে।