নর্দমায় মোবাইল ফেলেই পুকুরে ঝাঁপ, ED-র থেকে বাঁচতে কী কী করেছেন MLA জীবনকৃষ্ণ?

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) আবারও সক্রিয় হয়েছে। সোমবার সকালে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গেলে নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। ইডি অফিসারদের দেখে জীবনকৃষ্ণ পালানোর চেষ্টা করেন এবং বাড়ির দোতলা থেকে দেওয়াল টপকে পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেন।
মোবাইল লুকানোর চেষ্টা
এর আগেও, ২০২৩ সালে CBI-এর তল্লাশির সময় তিনি দুটি মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও ইডি-র তল্লাশির সময় পালানোর চেষ্টা করার সময় তিনি একটি মোবাইল বাড়ির পেছনের ঝোপে ফেলে দেন। পরে নর্দমা থেকে সেটি উদ্ধার করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাকে পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ার আগেই ধরে ফেলেন এবং বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসেন।
কোথায় চলছে তল্লাশি?
জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে তল্লাশি ছাড়াও মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের মোট ৪টি জায়গায় এই অভিযান চলছে। সাঁইথিয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতেও ইডি পৌঁছে গেছে। তিনি সম্পর্কে জীবনকৃষ্ণ সাহার পিসি হন।
বর্তমানে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে তার আন্দির বাসভবনেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ১৩ মাস জেলবন্দি থাকার পর সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন তিনি। এখন ইডি এই মামলায় নতুন করে তার ভূমিকা খতিয়ে দেখছে।