তালের বড়া ছাড়া জন্মাষ্টমী ভাবাই যায় না, এই টিপস মেনে বানালেই ২ দিন পরেও থাকবে নরম! শিখেনিন

জন্মাষ্টমী মানেই তালের বড়া। তালের বড়া ছাড়া এই উৎসব অসম্পূর্ণ। কিন্তু অনেক সময়ই সঠিকভাবে তৈরি না হলে বড়া শক্ত হয়ে যায়, যা খেতে ভালো লাগে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন একটি রেসিপি, যা মেনে চললে আপনার তৈরি তালের বড়া দুই দিন পরেও নরম ও তুলতুলে থাকবে।

উপকরণ ও প্রস্তুতি
উপকরণ:

তালের রস: ১ কাপ

গুড় বা চিনি: ৩/৪ কাপ (তালের মিষ্টি অনুযায়ী)

গমের আটা বা চালের গুঁড়ো: ১/২ কাপ (গমের আটা দিলে বেশি নরম হবে)

নারকেল কোরা: ১/৪ কাপ

লবণ: এক চিমটি

বেকিং পাউডার: অল্প

ঘি: ১ চা চামচ

ভাজার জন্য তেল

প্রস্তুত প্রণালী:

প্রথমে ভালো করে পাকা তাল বেছে নিন। এরপর তালের খোসা ছাড়িয়ে শাঁস বের করে নরমভাবে মেখে নিন। একটি কাপড় বা ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে আঁশ ফেলে দিন।

একটি বড় পাত্রে তালের রস, গুড় বা চিনি, আটা, নারকেল কোরা, লবণ, বেকিং পাউডার এবং ঘি মিশিয়ে নিন।

সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ ব্যাটার তৈরি করুন। মিশ্রণটি যেন খুব ঘন বা খুব পাতলা না হয়।

মিশ্রণটি ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এতে আটা বা চালের গুঁড়ো ভালোভাবে ফুলে উঠবে এবং বড়া ফুলকো ও নরম হবে।

সঠিকভাবে ভাজার কৌশল
ভাজার জন্য মাঝারি আঁচে তেল গরম করুন। তেল অতিরিক্ত গরম হলে বড়ার বাইরের অংশ পুড়ে যাবে এবং ভেতর কাঁচা থাকবে। আবার কম গরম হলে বড়া বেশি তেল শুষে নেবে।

চামচ দিয়ে অল্প অল্প করে মিশ্রণ তেলে দিন এবং হালকা করে নাড়ুন। আঁচ মাঝারি থেকে কম রেখে বড়াগুলো ধীরে ধীরে সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এতে বড়া ভেতর পর্যন্ত সমানভাবে সেদ্ধ হবে।

বড়া তেল থেকে তোলার পর কিচেন টিস্যুতে রেখে ঠান্ডা হতে দিন। গরম বড়ায় চাপ দেবেন না, এতে ভেতরের বাষ্প বেরিয়ে গিয়ে বড়া শক্ত হয়ে যেতে পারে।

এছাড়াও, মিশ্রণে দুধের বদলে নারকেলের দুধ ব্যবহার করলে স্বাদ ও নরমভাব আরও বেশি হয়। গুড় গলানোর সময় সামান্য আদার রস দিলে হজমে সাহায্য হয় এবং সুবাসও বাড়ে।