OMG! আখ ক্ষেতে মাটি খুঁড়তেই বের হলো মায়ের মৃতদেহ, দেখেই ঘরে গলায় দড়ি ছেলের!

মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে খুনের পর তার ছেলেও আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, পারিবারিক জমি বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিবাদের জেরেই এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত বৃদ্ধার নাম লক্ষ্মীবাই ঘুঘে এবং তার ছেলের নাম বাবন ঘুঘে (৪৫)।

বেশ কয়েকদিন ধরে লক্ষ্মীবাইকে খুঁজে না পাওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তারা বাড়ির কাছের একটি আখক্ষেতে মাটি খোঁড়ার নতুন চিহ্ন দেখতে পান। সেখানে মাটি খুঁড়তেই লক্ষ্মীবাইয়ের মৃতদেহ উদ্ধার হয়, যা দেখে পুলিশ অনুমান করে যে হত্যাকাণ্ডটি কয়েক দিন আগেই ঘটেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, রাগের মাথায় বাবন তার মায়ের গলা টিপে হত্যা করে এবং দেহটি আখক্ষেতে পুঁতে রেখেছিল।

গ্রামবাসীরা বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধারের পর স্বাভাবিকভাবেই বাবনকে সন্দেহ করতে শুরু করেন। কিন্তু বাবনকে ধরতে গিয়ে তারা দেখেন যে, সে নিজের বাড়ির কাছেই একটি গাছের ডালে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশের ধারণা, মাকে খুনের পর অপরাধবোধ এবং গ্রেপ্তারের ভয়ে বাবন এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছে।

জানা গেছে, লক্ষ্মীবাইয়ের স্বামী মারা যাওয়ার পর কৃষিজমিটি তার নামেই ছিল। বাবন সেই জমি বিক্রি করে টাকা নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে মায়ের উপর চাপ দিচ্ছিল, কিন্তু লক্ষ্মীবাই রাজি ছিলেন না। এই কারণে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রেনাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। মা ও ছেলের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরে গ্রামবাসীরা মা ও ছেলের দেহ একই চিতায় দাহ করেন।