সুখবর! কর্মী-জওয়ানদের ভাতা বাড়াল নির্বাচন কমিশন, জেনেনিন কত করে পাবেন?

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের জন্য বড় সুখবর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়াকে আরও সুষ্ঠু ও কর্মীবান্ধব করার লক্ষ্যে কমিশন সব স্তরের কর্মীদের ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে।

ভোটকর্মীদের জন্য বর্ধিত ভাতা:

প্রিসাইডিং অফিসার ও কাউন্টিং সুপারভাইজার: দৈনিক ভাতা ৩৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা।

পোলিং অফিসার: দৈনিক ভাতা ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ টাকা।

কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট: দৈনিক ভাতা ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫০ টাকা।

চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী: দৈনিক ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ টাকা।

বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য:

কন্ট্রোল রুম: সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত ভাতা।

ভিডিও সার্ভেলেন্স বা মনিটরিং কমিটি: সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা পর্যন্ত ভাতা।

সেক্টর অফিসার ও সেক্টর পুলিশ অফিসার: এককালীন ১০,০০০ টাকা ভাতা।

ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার: এক মাসের বেসিক বেতন ভাতা হিসেবে প্রদান করা হবে।

খাবার খরচে বড় পরিবর্তন:

আগে খাবারের জন্য দৈনিক মাত্র ১৫০ টাকা বরাদ্দ ছিল, যা এখন বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এই পরিবর্তন কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে আনবে।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের জন্য:

কমান্ড্যান্ট, ডেপুটি কমান্ড্যান্ট ও অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট: ১৫ দিনের কাজের জন্য ২৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০০ টাকা। ১৫ দিনের বেশি কাজ করলে প্রতি সপ্তাহে ২০০০ টাকা অতিরিক্ত ভাতা।

ইন্সপেক্টর, সাব-ইন্সপেক্টর ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর: ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করলে ৩০০০ টাকা। এর বেশি হলে প্রতি সপ্তাহে ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত।

কনস্টেবল ও হেড কনস্টেবল: ১৫ দিনের মধ্যে কাজ করলে ২৫০০ টাকা। এর বেশি হলে প্রতি সপ্তাহে ১২৫০ টাকা অতিরিক্ত।

প্রশাসনিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপ কর্মীদের আর্থিক স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মনোবলও বাড়াবে। একজন জেলা নির্বাচন দপ্তরের কর্মকর্তা বলেন, “ভাতা বৃদ্ধি হলে কর্মীদের কাজের আগ্রহ আরও বাড়বে। বিশেষ করে খাবার ভাতার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি তাঁদের জন্য স্বস্তির খবর।”

নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণা ইতিমধ্যেই ভোটকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। আসন্ন নির্বাচনে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সবাই।