উলঙ্গ হয়ে শুয়ে হস্তমৈথুনে মগ্ন তৃণমূল নেতা! ভাইরাল ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও, যা জানা গেলো….

পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রামে এক তৃণমূল নেতার নগ্ন অবস্থায় হস্তমৈথুনের ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও (techinformetix ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দলের কর্মী-সমর্থকদের মোবাইলে মোবাইলে ঘুরছে এই ভিডিও এবং কিছু ছবি। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই নেতাই নাকি মহিলাদের কাছে ভিডিওটি পাঠাতেন এবং সেই মহিলাদের মাধ্যমেই কোনোভাবে এটি প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
জানা যাচ্ছে, ওই তৃণমূল নেতা দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই তৃণমূল নেতা ভিডিওটি কোনো মহিলার মোবাইলে পাঠানোর পর তিনিই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। যদিও লোকলজ্জার ভয়ে ওই মহিলা এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি।
যে নেতার ভিডিও নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে, প্রায় তিন বছর আগে তাঁকে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছিল। এর আগে তিনি আউশগ্রাম এলাকার একটি পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। প্রায় ছয় বছর আগেও তাকে নিয়ে একাধিক বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় সাময়িকভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে সে সময় দলের তৎকালীন ব্লক তৃণমূল সভাপতির সঙ্গে অন্তরঙ্গতার জোরে তিনি আবার দলে ফিরে আসেন এবং তিন বছর আগে দলের পদও পেয়ে যান। প্রৌঢ় ওই শাসক নেতার এই ভিডিও দলের জেলা স্তরের নেতাদের কাছেও পৌঁছে গেছে বলে সূত্র মারফত জানা গেছে।
এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য এসসি এসটি সেলের চেয়ারম্যান দেবু টুডু বলেন, “বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে, খোঁজ নিচ্ছি। আমাদের দলের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি আছে। যদি কেউ আপত্তিকর বা অপরাধমূলক আচরণ করে থাকেন, প্রয়োজনে কমিটিতে আলোচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রাজনৈতিক মহলের খবর অনুযায়ী, আউশগ্রামের ওই তৃণমূল নেতার ভিডিওর বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার তাঁকে ভর্ৎসনা করে গুসকরার কার্যালয়ে ঢুকতে নিষেধ করে দিয়েছেন। তবে বিধায়ক প্রকাশ্যে এ নিয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না। তিনি বলেন, “আমি সঠিক জানি না কী ঘটেছে। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।”