Recipe: নিরামিষ রান্নায় খেয়ে দেখুন ‘ছানার ডালনা’, মনেই পড়বেনা আমিষের কথা

নিরামিষ খাবার মানেই অনেকে নাক সিঁটকান। কিন্তু জানেন কি, সঠিক রেসিপি জানা থাকলে পেঁয়াজ-রসুন ছাড়াও তৈরি করা যায় অসাধারণ স্বাদের পদ? বিশেষ করে শনিবারে যারা নিরামিষ আহার করেন, তাদের জন্য রইল এক দারুণ বিকল্প – ‘ছানার ডালনা’। এটি যেমন বানাতে সহজ, তেমনই সময় লাগে কম। আর ভাত, রুটি, পোলাও – যে কোনো কিছুর সঙ্গেই জমে যায় এর স্বাদ।

উপকরণ যা যা লাগবে:

গোটা জিরে: ১ চামচ
গোটা ধনে: ১ চামচ
লাল লঙ্কার গুঁড়ো: ১ চামচ
হলুদ: ১ চামচ
আদা: ৫ গ্রাম (বা এক টুকরো)
কাঁচা লঙ্কা: (স্বাদমতো)
গরম মশলা গুঁড়ো: ১ চামচ
আলু: (ডুমো করে কাটা, পরিমাণমতো)
নুন: স্বাদমতো
চিনি: স্বাদমতো
ঘি: ১ চামচ
ময়দা: ২ চামচ (ছানা মাখার জন্য)
সাদা তেল: (ভাজার জন্য)
ছানা: (প্রয়োজনমতো, বাড়িতে তৈরি হলে আরও ভালো)

সহজ প্রস্তুত প্রণালী, জিভে জল আনা স্বাদ:

১. প্রথমে একটি বাটিতে গোটা জিরে, গোটা ধনে, আদা, কাঁচা লঙ্কা, হলুদ, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, স্বাদমতো নুন এবং সামান্য চিনি নিয়ে নিন। এবার এতে তিন চামচ জল মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটিই আপনার ডালনার মূল স্বাদ এনে দেবে।

২. এবার তাজা ছানা ভালো করে মেখে নরম করে নিন। এর মধ্যে সামান্য নুন এবং দু’চামচ ময়দা মিশিয়ে নিন। ময়দা মেশালে ছানার বল তেলে ভেঙে যাবে না। এবার মিশ্রণটি দিয়ে ছোট ছোট বলের আকারে গড়ে নিন।

৩. একটি কড়াইতে তেল গরম করে ছানার বলগুলো সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে নিন। একই তেলে এবার ডুমো করে কাটা আলুর টুকরোগুলোও ভেজে আলাদা করে রাখুন।

৪. আলু ভাজা হয়ে গেলে ওই তেলেই তৈরি করে রাখা মশলার পেস্টটি ঢেলে দিন। মসলাটা সামান্য কষিয়ে ভেজে রাখা আলুগুলো দিয়ে দিন। হালকা কষানো হলে পরিমাণমতো জল দিন।

৫. জল ফুটে উঠলে ছানার বলগুলো সাবধানে মিশিয়ে দিন। প্রয়োজন মতো নুন ও চিনি যোগ করুন (মিষ্টি স্বাদ আপনার পছন্দ অনুযায়ী বাড়াতে বা কমাতে পারেন)।

৬. ডালনা ভালো করে কষে এলে এবং গ্রেভি ঘন হয়ে এলে, এক চামচ গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। সবশেষে এক চামচ ঘি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। মনে রাখবেন, এই রান্নাটি একদম শুকনো হবে না, সামান্য গ্রেভি থাকবে।

ব্যস! তৈরি আপনার সুস্বাদু নিরামিষ ছানার ডালনা। সপ্তাহান্তের দুপুরে গরম ভাত, লুচি বা পোলাওয়ের সাথে এর স্বাদ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। নিরামিষ খাবারও যে কতটা লোভনীয় হতে পারে, তা এই পদটি চেখে দেখলেই বুঝবেন।