“বুকে পাথর দিতে হয়, যখন স্বামী…!”-জেনেনিন কি বললেন গোবিন্দার স্ত্রী সুনীতা

বলিউডের ‘হিরো নাম্বার ওয়ান’ গোবিন্দ এবং তার স্ত্রী সুনীতা আহুজার ৩৭ বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন বলিউডের গ্ল্যামারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক ভিন্ন গল্প বলছে। তারকা-পত্নী হওয়া যে সহজ কথা নয়, তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন সুনীতা। সম্প্রতি তিনি নিজেই জানিয়েছেন, এই দীর্ঘ সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই বুকে পাথর রেখে তাকে স্বামীর পাশে থাকতে হয়েছে।
প্রথম জীবনে গোবিন্দ তার বিবাহিত পরিচয় গোপন রেখেছিলেন, কারণ তার মনে হয়েছিল, বিবাহিত নায়কের কথা জানাজানি হলে তার খ্যাতি কমে যাবে। তবে, প্রায় তিন বছর পর তিনি প্রকাশ্যে জানান যে তিনি বিবাহিত। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অপরের পাশে ঢাল হয়ে থেকেছেন।
এত বছরের দাম্পত্য হলেও, সম্প্রতি সুনীতা আহুজা এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন: গোবিন্দ এবং তিনি একসঙ্গে বাস করেন না, তাদের ছাদ আলাদা। সুনীতা দুই সন্তানকে নিয়ে থাকেন ফ্ল্যাটে, আর ঠিক তার উল্টো দিকে নিজের বাংলোতে একা থাকেন গোবিন্দ। বিয়ের পর থেকে স্বামীকে সেভাবে পাশে না পাওয়ার আক্ষেপ রয়েছে সুনীতার।
তবে, তাদের এই ব্যতিক্রমী সম্পর্ক টিকে রয়েছে দৃঢ় বিশ্বাসের ভিত্তিতে। সুনীতা তার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বলেন, “যখন আমার সন্তান হয়, তখন গোবিন্দ বাইরে শুটিং করছে। আমার শাশুড়ি মা সঙ্গে ছিলেন। অত ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে বাইরে যাওয়াও যায় না। বুকে পাথর চাপা দিতে হয় আসলে। যখন তুমি দেখবে, তোমার স্বামী তোমার থেকে বেশি সময় কাটাচ্ছে সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে।” এই কথাগুলো তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের এক কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরে।
যদিও, এত কিছুর পরও গোবিন্দপত্নী স্বামীকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। তার বিশ্বাস, গোবিন্দ কখনও তেমন খারাপ কিছু করেননি। এই দম্পতির গল্প প্রমাণ করে, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে শুধু শারীরিক সান্নিধ্যই নয়, বরং গভীর বিশ্বাস আর মানসিক বোঝাপড়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বলিউডের ঝলমলে আলোর নিচেও কিছু সম্পর্ক তাদের নিজস্ব শর্তে টিকে থাকে, গোবিন্দ-সুনীতার দাম্পত্য তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।