মোদীর সভায় যেতে বাধা, বিজেপি কর্মীদের বাস ভাঙচুরের অভিযোগ!

আজ আলিপুরদুয়ারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় যোগ দিতে আসার পথে কোচবিহারে বিজেপি কর্মীদের বাসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের পানিশালা থেকে বিজেপি কর্মীরা বাসে করে সভার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, বাসের সামনের কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে কর্মীরা আর ওই বাসে করে সভাস্থলে আসতে পারেননি।

বিজেপির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে এমন হামলা চালাচ্ছে। এটিই প্রমাণ করে যে, আগামী দিনে এই অঞ্চলে তৃণমূলের অবস্থা কেমন হতে চলেছে। কোচবিহার দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে বলেন, “কোচবিহার থেকে যে ধরনের অভিযোগ আসছে, তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী বাসে ভাঙচুর চালিয়েছে, হামলা করছে, এইভাবে মোদীর সভায় আসা আটকানো যাবে না। আমাদের কর্মীরা আসবেনই। আমি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিশ তদন্ত করছে।” যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পুলিশি হয়রানি এড়াতে রেলপথে যাত্রা:

এদিকে, বাসে চেপে মোদীর সভায় যোগ দিতে গেলে রাস্তায় অযথা পুলিশের হয়রানির শিকার হতে পারে – এমন আশঙ্কা করে বিজেপি কর্মীরা ছক বদলেছেন। প্রচুর বিজেপি নেতা-কর্মী ট্রেনে চেপে আলিপুরদুয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন।

জলপাইগুড়ি থেকেও কয়েক হাজার বিজেপি নেতা-কর্মী আলিপুরদুয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তাঁদের একটি বড় অংশ এনজেপি (NJP), আমবাড়ি, জলপাইগুড়ি রোড সহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে বিভিন্ন ট্রেনে চেপে আলিপুরদুয়ারের দিকে যাত্রা করেছেন। একইসাথে, জলপাইগুড়ির বিভিন্ন মণ্ডল থেকে অজস্র বাস ও ছোট গাড়িতেও বিজেপি নেতা-কর্মীরা আলিপুরদুয়ারমুখী হয়েছেন।

বিজেপির জেলা সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, “আমরা জানি মোদীর সভায় যারা যাচ্ছেন, দলদাস পুলিশ তাঁদের আটকাবে। কারণ রাস্তায় প্রচুর জায়গায় অযথা ব্যারিকেড বসিয়েছে পুলিশ। আমাদের কাছে আগাম এই খবর ছিল। তাই আমরা প্রচুর সংখ্যক বিজেপি কর্মী ট্রেনে যাচ্ছি। কিন্তু এই কথাও জানিয়ে রাখি, যাদের রাস্তায় আটকে দেওয়া হচ্ছে, তারা শত বাধা অতিক্রম করে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাবেই।”