অপারেশন সিঁদুরের পরও থামছে না পাকিস্তান, স্কুল পড়ুয়াদের উপরে মর্টার ছুড়ছে ‘কাপুরুষ’! পাল্টা জবাব ভারতের

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সম্পন্ন হওয়ার পরও সীমান্তে পাকিস্তানের আগ্রাসন এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা কিছুতেই থামছে না। লাগাতার প্ররোচনা ও গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে রাখছে তারা। আজও, বৃহস্পতিবার সকালে জম্মু-কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা (LoC) বরাবর বিনা প্ররোচনায় ব্যাপক গুলিবর্ষণ এবং শেলিং করেছে পাক রেঞ্জার্সরা। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পাকিস্তান ইচ্ছাকৃতভাবে সীমান্ত লাগোয়া জনবসতি এলাকাগুলিকেও লক্ষ্যবস্তু করছে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীও চুপ নেই, তারাও সমানভাবে এবং যোগ্য শক্তি প্রয়োগ করে পাল্টা জবাব দিয়ে চলেছে।

সেনা সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের একাধিক পয়েন্টে পাক সেনা ছোট অস্ত্র ও আর্টিলারি বন্দুক ব্যবহার করে হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে কারনা সেক্টরে লাগাতার শেলিং ও মর্টার বর্ষণ চলছে। গত বুধবার রাত থেকেই জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়াড়া, বারামুল্লা, উরি এবং আখনুর সেক্টর বিশেষভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, এই সমস্ত এলাকায় পাকিস্তান অবিরাম গুলি চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এই ঘটনাটি নিয়ে টানা ১৪ দিন ধরে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে, যা তাদের আগ্রাসী মনোভাবের স্পষ্ট প্রমাণ।

পাক আর্মি পোস্ট থেকে কেবল ভারতীয় সেনাই নয়, সাধারণ নাগরিকদেরও নির্বিচারে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। বাড়িঘরের দিকেও ছুটে আসছে পাক সেনাদের গুলি ও মর্টার। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীও বসে নেই। পাকিস্তানকে সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে রেখেছেন। ভারতীয় জওয়ানরা রকেট লঞ্চার এবং মর্টারের সাহায্যে পাক পোস্টগুলি লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বুধবার ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরেও পাকিস্তান থেমে থাকেনি। সেদিনও পুঞ্চ সেক্টরে তাদের এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণে চার শিশু এবং এক জওয়ান সহ মোট ১৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ ফের সীমান্তে উত্তেজনা ছড়াল।