পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কি মুখ থুবড়ে পড়ল? ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে তোলপাড় নেটদুনিয়া

ভারতীয় সেনার ‘অপারেশন সিঁদুর’ মাত্র ২৫ মিনিটে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত একাধিক জঙ্গিঘাঁটিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অভিযানে আজমল কাসভ এবং ডেভিড হেডলির মতো জঙ্গিদের মগজধোলাই ও প্রশিক্ষণের কেন্দ্রগুলি ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাতে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এই সফল অভিযানের আবহেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান JF-17 ভেঙে পড়ার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই সময় অনলাইন এই ভিডিয়োর সত্যতা নিজস্বভাবে যাচাই করেনি।

ভিডিওটি সামনে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় চলছে। বিভিন্ন সংবাদসংস্থা দাবি করছে, জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার পাম্পোরের কাছে ইসলামাবাদের ‘স্বাভিমান’-এর প্রতীক এই JF-17 যুদ্ধবিমানটিকে ভারতীয় সেনা গুলি করে নামিয়েছে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও চিন যৌথভাবে বেশ কয়েক বছর আগে এই JF-17 যুদ্ধবিমান তৈরি করেছিল। বলা হয়, পাকিস্তানের সেনাকে শক্তিশালী করতে চিন প্রায়শই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় এবং এই বিমানটি মূলত পাকিস্তানই ব্যবহার করে। তেজসের মতো হালকা এবং মাল্টিরোল ফাইটার জেট হিসেবে পরিচিত JF-17। অনেকে মনে করেন, ভারতের তেজসের সঙ্গে টক্কর দিতেই পাক-চিনের এই উদ্ভাবন। পাকিস্তান দাবি করে, এই যুদ্ধবিমান অনেক উঁচু থেকে হামলা চালাতে এবং আকাশে অন্য যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া করা বা শত্রুপক্ষের গোপন তথ্য সংগ্রহে পারদর্শী।

তবে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার খবর এবারই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার এই ধরনের ঘটনা সামনে এসেছে, কিন্তু ইসলামাবাদ কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে তা স্বীকার করেনি বা সে খবরে সিলমোহর দেয়নি। বর্তমান ঘটনাতেও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সর্বোপরি, যুদ্ধবিমানটির সক্ষমতা নিয়ে পাকিস্তানের দাবি যাই থাকুক না কেন, প্রতিপক্ষের সমস্ত শক্তিকেই ভারতীয় সেনা যে অনায়াসে মোকাবিলা করতে এবং মাত দিতে সক্ষম, তা নিয়ে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই। ‘অপারেশন সিঁদুর’ সেই সক্ষমতারই একটি প্রমাণ বলে মনে করা হচ্ছে।