ভারত-পাক উত্তেজনার মাঝে সোনার দামে কতটা প্রভাব? জেনেনিন আজ Gold Price কত?

কলকাতায় সোনার দামে আবারও বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম ৯৭ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে এবং তা প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১ লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। গয়না সোনার (২২ ক্যারেট) দামও হু হু করে বাড়ছে। ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘটনার আবহে সোনার দামের উপর কী প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। জেনে নিন আজ, বুধবার (৭ মে) কলকাতায় সোনার সর্বশেষ সোনার দর।

আজ অর্থাৎ ৭ মে, কলকাতায় প্রতি ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম রয়েছে ৯৭,৯৫০ টাকা। গয়না তৈরীর জন্য ২২ ক্যারেট সোনার দাম রয়েছে ৯৩,১০০ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম। পাকা সোনার বাটের দাম রয়েছে ৯৭,৫০০ টাকা। এই দামগুলির সঙ্গে যুক্ত হবে জিএসটি এবং মেকিং চার্জ।

গতকাল, ৬ মে, ২২ ক্যারেট গয়না সোনার দাম ছিল প্রতি ১০ গ্রাম ৯০,২০০ টাকা। পাকা সোনার দাম ছিল প্রতি ১০ গ্রাম ৯৪,৯০০ টাকা। এর তুলনায় আজ সোনার দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে প্রতি ১০ গ্রামে সোনার দাম বেড়েছে কয়েক হাজার টাকা।

গত মাসে, ২২ এপ্রিল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের মুখে দেশের বেশ কিছু মেট্রো শহরে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছিল। আজকের দাম সেই রেকর্ড ছুঁইছুঁই করছে, যা বাজারের অস্থিরতাকে প্রতিফলিত করে।

পণ্য বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অর্থনৈতিক এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সোনার দামের উপর প্রভাব ফেলছে। আমেরিকা ও চিনের মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের ঠান্ডা লড়াই এবং শুল্ক কমানোর মতো খবর একদিকে যেমন ডলারকে শক্তিশালী করছে (যা সাধারণত সোনার দামের জন্য প্রতিকূল), তেমনই অন্যদিকে অন্যান্য অনিশ্চয়তা যেমন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ ইত্যাদি সোনার মতো নিরাপদ আশ্রয়ে বিনিয়োগ বাড়াতে উৎসাহিত করে, যা দাম বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে। ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার মতো ঘটনাও অনেক সময় সোনার দামের উপর প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বর্তমান পরিস্থিতিতে সোনার দামের ওঠানামা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘটনার প্রভাবে এবং বাজারের অস্থিরতার মধ্যে কলকাতায় সোনার দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকা ছুঁয়ে ফেলায় ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে সোনার দাম কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করছে বিশ্ব অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর।