পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ২৩ বছরের শিক্ষিকা পালালেন ১৩ বছরের ছাত্রকে নিয়ে!

প্রেম যে কোনও বাধা মানে না, বয়সের ফারাকও তার কাছে তুচ্ছ – এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে গুজরাটের সুরাটে। ২৩ বছর বয়সী এক মহিলা শিক্ষিকা তাঁরই ১৩ বছর বয়সী নাবালক ছাত্রকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। ঘটনার আকস্মিকতা আরও বাড়িয়েছে যখন জানা যায়, ওই শিক্ষিকা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং তাঁর দাবি অনুযায়ী, গর্ভের সন্তানটির বাবা হলো সেই নাবালক ছাত্রই!
এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ছাত্রের বাবা দ্রুত সুরাটের পুলিশ স্টেশনে গিয়ে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তাঁর নাবালক পুত্রকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের খুঁজে বের করে গুজরাট-রাজস্থান সীমান্তে অবস্থিত শামলাজি এলাকা থেকে আটক করে। সেখান থেকে তাদের ফিরিয়ে আনা হয় সুরাটে।
পুলিশের জেরার মুখে ওই শিক্ষিকা জানান যে, তারা সুরাট থেকে পালিয়ে প্রথমে আহমেদাবাদ যান। সেখান থেকে তারা দিল্লি, বৃন্দাবন এবং জয়পুরের মতো বিভিন্ন শহরে ঘোরেন। জয়পুর থেকে সুরাটে ফেরার পথেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান তারা।
শিক্ষিকা পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি গত তিন বছর ধরে ওই ছাত্রটিকে পড়াতেন। এই শিক্ষকতা করার সময়েই তাদের মধ্যে একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের জেরেই তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন বলে শিক্ষিকা দাবি করেন।
শিক্ষিকার এই বয়ান শুনে পুলিশ কর্মকর্তারা রীতিমতো হতবাক। যদিও শিক্ষিকা নাবালক ছাত্রকেই গর্ভস্থ সন্তানের বাবা বলে দাবি করছেন, পুলিশ জানিয়েছে যে পিতৃত্ব নিশ্চিত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করানো হবে। আইন অনুযায়ী নাবালক ছাত্রটিকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।