“জঙ্গিরা তখন গুলি করে মারছে…”-দেখেনিন কাশ্মীরের পহেলগাঁও হামলার EXCLUSIVE ভিডিও

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও-এর বৈসরণ উপত্যকায় গত মঙ্গলবার ঘটে যাওয়া ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় গোটা দেশ শোকাহত। এই নৃশংস হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটকের প্রাণহানি ঘটেছে এবং গুরুতর আহত অবস্থায় ১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে হামলাকারীদের পরিকল্পনা এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে কিছু বীভৎস তথ্য উঠে এসেছে, যা ঘটনার ভয়াবহতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইতিমধ্যেই এই হামলার একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গেছে, যেখানে সন্ত্রাসবাদীদের তাঁদের নৃশংস হত্যালীলা চালাতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে সন্ত্রাসবাদীদের হাতে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক রয়েছে এবং তারা পহেলগাঁও ট্যুরিস্ট স্পটে নিরীহ পর্যটকদের ওপর নির্বিচারে আক্রমণ করছে।
প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা তথ্যে জানা গিয়েছে যে, এই হামলায় পাকিস্তানি জঙ্গিরা স্থানীয় কাশ্মীরি জঙ্গি এবং কিছু স্থানীয় লোকের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করেছে। হামলার আগে জঙ্গিরা এলাকাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রেইকি বা পরিদর্শন করেছিল। বৈসরণ উপত্যকাকে আক্রমণের জন্য বেছে নেওয়ার অন্যতম কারণ ছিল, এই এলাকায় সেই সময় কোনও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন ছিল না।
पहलगाम आतंकी हमले का वीडियो सामने आया है. जिसमें आतंकी पर्यटकों पर गोली से मारते हुए दिखाई दे रहा है. #JammuAndKashmir #Pakistan #PahalgamAttack #Pahalgam #PahalgamTerrorAttack #AajtakSocial pic.twitter.com/6Rm3kx19YT
— AajTak (@aajtak) April 24, 2025
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে যে, হামলাকারীরা অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করেছিল। জঙ্গিরা তাদের শরীরে বডিক্যাম পরে ছিল এবং পুরো হামলার ভিডিও ধারণ করেছিল। হামলার পদ্ধতিতে ছিল চরম নৃশংসতা। তারা পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা করে ফেলেছিল এবং তারপর বেছে বেছে হত্যা করা হয়। গুলি করার ক্ষেত্রেও তাদের কৌশল ছিল দ্বিবিধ; কিছু লোককে দূর থেকে গুলি করা হয়েছিল, আবার কিছু লোককে খুব কাছ থেকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
পহেলগাঁওকে আক্রমণের জন্য বেছে নেওয়ার আরও একটি কারণ ছিল যে, এখানে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি কম ছিল এবং জঙ্গিরা জানত হামলার পর উদ্ধারকাজ শুরু হতে সময় লাগবে, যা তাদের পালানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় দেবে। এছাড়াও, হামলার পর লুকিয়ে পড়ার জন্য জঙ্গিরা ঘন জঙ্গলে আস্তানা তৈরি করেছিল। প্রাথমিক অনুমান, স্থানীয় জঙ্গিদের সহায়তায় পাকিস্তানি জঙ্গিরা সম্ভবত এখন তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে।
এই বর্বর হামলায় নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং গোটা দেশ এই নৃশংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে নেমেছে এবং হামলাকারীদের ধরতে জোরদার তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। পহেলগাঁওয়ের এই হামলা জঙ্গিদের চরম নৃশংসতা এবং ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনার আরও একবার প্রমাণ দিল।