Recipe: ভাতের পাতে রাখুন রসুন-মরিচের স্পেশাল ভর্তা, শিখেনিন নতুন স্বাদের দুর্দান্ত রেসিপি

ঝুরঝুরে সাদা ভাত, তাতে এক চামচ খাঁটি ঘি আর পাশে যদি থাকে সুগন্ধি রসুনের ভর্তা, তাহলে আর কিছুই চাই না! এমনটাই বিশ্বাস করেন ভর্তা ভালোবাসেন যাঁরা। তাঁদের মতে, রসুনের ভর্তার ঘ্রাণ এতটাই তীব্র এবং আকর্ষণীয় হয় যে পাতে পরিবেশন করার সঙ্গে সঙ্গেই মন ভরে ওঠে। শাস্ত্রের ‘ঘ্রাণে অর্ধভোজন’-এর মাহাত্ম্য যেন এই পদটির সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করা যায়। সুগন্ধে আকুল হয়ে ওঠার আগেই হাত আপনা থেকেই ভাতের গ্রাসের সঙ্গে মিশে যায় রসুনের ভর্তায়!
এই অসাধারণ রসুনের ভর্তা তৈরি করাও খুব সহজ। সামান্য কিছু উপকরণেই রসনার তৃপ্তি মেটানো সম্ভব।
উপকরণ:
- ১০-১২টি রসুনের কোয়া
- ১টি বড় পেঁয়াজ, সরু করে কাটা
- ২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
- ২টি শুকনো লঙ্কা
- স্বাদমতো নুন
- ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি
- ১ চা-চামচ পাতিলেবুর রস
পদ্ধতি:
- প্রথমে একটি কড়াইতে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে শুকনো লঙ্কা ভেজে তুলে আলাদা করে রাখুন।
- এরপর ওই তেলেই রসুনের কোয়াগুলি ভাজতে শুরু করুন। রসুন লালচে হয়ে এলে সেগুলিকে তুলে নিন।
- এবার কড়াইতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজুন। পেঁয়াজ হালকা বাদামি রং ধরলে সেটিও তুলে নিন।
- একটি পাত্রে ভাজা রসুনগুলি হাতে ভালো করে চটকে মেখে নিন।
- অন্য একটি পাত্রে ভাজা পেঁয়াজ এবং ভাজা শুকনো লঙ্কা স্বাদমতো নুন দিয়ে একসঙ্গে চটকে মিশিয়ে নিন।
- এরপর চটকানো রসুন এবং পেঁয়াজ-লঙ্কার মিশ্রণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
- শেষে এর মধ্যে ধনেপাতা কুচি এবং পাতিলেবুর রস যোগ করুন। নুন চেখে নিন, প্রয়োজন হলে আরও মেশাতে পারেন।
- তৈরি হয়ে গেলে মিশ্রণটি ছোট ছোট গোল আকারে ভাগ করে নিন।
- গরম সাদা ভাতের উপর সামান্য ঘি ছড়িয়ে, পাশে সুগন্ধি রসুনের ভর্তা পরিবেশন করুন।
এই সাধারণ অথচ মুখরোচক পদটি সহজেই আপনার খাবারের স্বাদ বদলে দিতে পারে। মাছ-মাংস বা অন্য কোনো ঝোলের প্রয়োজন হবে না, শুধু ঘি-ভাত আর রসুনের ভর্তাই যথেষ্ট এক তৃপ্তিদায়ক আহারের জন্য। একবার চেখে দেখলে এর স্বাদ ভোলা কঠিন!