“বাবা ভাঙ্গা”-র ২০২৫ সালের ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী, ভূমিকম্পের পর এবারও কি মিলবে তার এই কথা?

বুলগেরিয়ার নস্ট্রাদামুস নামে পরিচিত বাবা ভাঙ্গা, যিনি ১৯৯৬ সালে মারা গেছেন, আজও তার ভবিষ্যদ্বাণীগুলির জন্য চর্চায় থাকেন। আসল নাম ভেঙ্গেলিয়া পান্ডেভা গুশ্টেরোভা, দৃষ্টিহীন এই রহস্যময়ী নারীর অনুগামীদের দাবি, তিনি নাকি ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন একেবারে নিখুঁতভাবে। ২০২৫ সাল নিয়ে তার করা বেশ কিছু ভবিষ্যদ্বাণী ইতিমধ্যেই ফলতে শুরু করেছে বলে দাবি করছেন অনেকে। ভূমিকম্প নিয়ে তার করা পূর্বের একটি ভবিষ্যদ্বাণীও নাকি মিলে গিয়েছে।
এবার বাবা ভাঙ্গার ২০২৫ সালের ভবিষ্যদ্বাণী কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে? জানা যাচ্ছে, তার কথা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই ইউরোপের ধ্বংসের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তার ভবিষ্যদ্বাণীতে উল্লেখ রয়েছে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে একটি বড় আকারের যুদ্ধ শুরু হতে পারে, যার ফলস্বরূপ ধ্বংসলীলা নেমে আসতে পারে গোটা ইউরোপ মহাদেশে।
সম্প্রতি মায়ানমারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার মায়ানমারে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ১৬০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ। ভেঙে পড়েছে বহু বহুতল ভবন। বছরের শুরুতেই বাবা ভাঙ্গা ২০২৫ সাল জুড়ে ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। মায়ানমারের ভূমিকম্পের ঘটনা সেই ভবিষ্যৎবাণীরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন তার অনুসারীরা।
এখন প্রশ্ন উঠছে, মায়ানমারের পর বাবা ভাঙ্গার ইউরোপের ধ্বংসের ভবিষ্যদ্বাণীও কি সত্যি হবে? পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সেই আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে। তবে, বাবা ভাঙ্গার অন্যান্য অনেক ভবিষ্যদ্বাণীর মতো এটিও কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা সময়ই বলবে। তার অনুগামীরা অবশ্য ইতিমধ্যেই তার এই ভবিষ্যৎবাণী নিয়ে আতঙ্কিত এবং বিশ্ব পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।