২০২৬ সালে বিয়ের পিঁড়িতে দেবচন্দ্রিমা! ফাঁস করলেন সহ-অভিনেত্রী মিষ্টি

টলিউড থেকে বলিউড, দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সমান তালে কাজ করছেন দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায়। বর্তমানে কলকাতায় থাকলেও, মুম্বইতেও নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। সম্প্রতি কলকাতায় এসে একের পর এক চমক দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। প্রথমে জি বাংলার রান্নাঘরে দেখা গেল তাকে, এরপর রবিবার সকালে ‘প্রেমের আভাস’ দিয়ে অনুরাগীদের মনে কৌতূহল জাগিয়ে তোলেন। আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার সামনে এল তার বিয়ের সম্ভাব্য তারিখ!

সম্প্রতি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যা পোস্ট করেছেন ‘ভাদু’ খ্যাত অভিনেত্রী মিষ্টি সিং। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দেবচন্দ্রিমা মিষ্টির বাড়িতে এসেছেন এবং দুজনে মিলে রান্না করছেন। একজন বানাচ্ছেন চিকেন, অন্যজন চিংড়ি।

রান্নার ফাঁকেই মিষ্টি দেবচন্দ্রিমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “শিখে নাও, তোমার বিয়ে তো পরের বছর…!” মিষ্টির এই কথা শুনে দেবচন্দ্রিমার চোখেমুখে বিস্ময় দেখা যায়। মিষ্টি এরপর আরও জোর দিয়ে বলেন, “আমি তো জানি, তোর পরের বছর বিয়ে।” এমনকি মিষ্টি দাবি করেন, দেবচন্দ্রিমার মা নাকি তাকে এই খবর দিয়েছেন!

এরপর দেবচন্দ্রিমাকে মজার ছলে বলতে শোনা যায়, “তারপর যদি ছেলে খুঁজে না পাই…!” ভিডিওতে দেবচন্দ্রিমাকে আরও বলতে শোনা যায়, কলকাতার ছেলে তার পছন্দ নয়, বরং তার চাই ‘বাইরের ছেলে’। সকলে যখন একসঙ্গে খাচ্ছিলেন, তখন মিষ্টি মজা করে বলেন, “আজকে তো আইবুড়োভাত খাওয়ালাম আসলে।” এখন দেখার বিষয়, মিষ্টির এই ভবিষ্যৎবাণী আদৌ সত্যি হয় কিনা।

যদিও দেবচন্দ্রিমা নিজেকে সিঙ্গেল দাবি করে এসেছেন, তবে সম্প্রতি ‘জিবলি’ নামক এক ট্রেন্ডের আড়ালে তিনি তার ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছেন। এই ট্রেন্ডে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারাও গা ভাসিয়েছেন। দেবচন্দ্রিমার পোস্টেও দেখা মিলেছে সেই রহস্যময় পুরুষের ঝলক। একটি ছবিতে যুগলের মিরর সেলফি দেখা যায়, অন্যটিতে দুটি পোষ্যকে নিয়ে ছেলেটিকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখা যায়। এই ছবিগুলির ক্যাপশনে দেবচন্দ্রিমা লেখেন, “আমার মনের কথা সামনে আনতে সাহায্য করল জিবলি”।

এর আগে সায়ন্ত মোদক ও রেজওয়ান রাব্বানি শেখের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন দেবচন্দ্রিমা। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি একা ছিলেন। তাহলে কি এই ‘জিবলি’ প্রেমিকের হাত ধরেই ২০২৬ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন দেবচন্দ্রিমা? এই প্রশ্ন এখন তার অনুরাগীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। মিষ্টি সিং-এর এই অপ্রত্যাশিত ঘোষণার পর দেবচন্দ্রিমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ল।