Weather: বাংলার ৪ জেলায় পড়বে তীব্র গরম! বড় পূর্বাভাস দিয়ে সতর্ক করলো হাওয়া অফিস

পশ্চিমবঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। উত্তরবঙ্গেও একই পরিস্থিতি থাকলেও দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে ২৮ ও ২৯ মার্চ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে উষ্ণতম দিনের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গে পারদ ঊর্ধ্বমুখী
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি—পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। আগামী তিন দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩-৪ ডিগ্রি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শুকনো গরমে অস্বস্তি
বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকায় তাপপ্রবাহের আশঙ্কা না থাকলেও শুকনো গরমে অস্বস্তি চরমে উঠবে। দক্ষিণবঙ্গে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে প্রখর রোদ আর শুষ্ক আবহাওয়ায় জনজীবনে নেমে আসবে অস্বাভাবিক গরমের প্রভাব।
উত্তরবঙ্গে সামান্য স্বস্তি
দক্ষিণবঙ্গ যখন তীব্র গরমে পুড়বে, উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিদায়ক থাকবে। ২৮ ও ২৯ মার্চ দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে।
পশ্চিমাঞ্চলে উষ্ণতম দিনের সতর্কতা
পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে হাওয়া অফিস। এই অঞ্চলে গরমের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শুষ্ক ও উষ্ণ পশ্চিমী হাওয়ার প্রভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অন্যান্য রাজ্যের পরিস্থিতি
দেশের অন্যান্য অংশে তাপপ্রবাহ ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ওড়িশা, তামিলনাডু, পুদুচেরি ও অন্ধ্রপ্রদেশে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। উত্তর ভারতে একাধিক রাজ্যে ভারী বৃষ্টি এবং ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপসংহার: রাজ্যে গ্রীষ্মের দাপটে জনজীবনে অস্বস্তি বাড়লেও উত্তরবঙ্গের কিছু অংশে সামান্য স্বস্তির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ, প্রয়োজন ছাড়া দুপুরে বাইরে না বেরোনো এবং পর্যাপ্ত জলপানের মাধ্যমে সুস্থ থাকার চেষ্টা করা।