স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে কড়া হল রাজ্য সরকার”, হাসপাতালের আপত্তি এবং রোগীদের হয়রানি রুখতে স্পষ্ট বার্তা দিল সরকার

রাজ্যের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডধারীদের নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর এবার কঠোর অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি নিউটাউনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন ৪৭টি বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশিকা জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বেসরকারি হাসপাতালগুলোর প্রধান আপত্তি:
✔ খরচের সীমাবদ্ধতা: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের আওতায় চিকিৎসার খরচ পূর্বনির্ধারিত, যা বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য লাভজনক নয়
✔ ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ: সরকারি হারে ওষুধ সরবরাহ করলে তাদের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা
✔ জটিল রোগীদের চিকিৎসা: উচ্চব্যয়সাপেক্ষ চিকিৎসায় সমস্যা
রাজ্য সরকারের কড়া নির্দেশ:
✔ কার্ডধারীদের ফেরানো যাবে না: কোনো বেসরকারি হাসপাতালই স্বাস্থ্যসাথী বা WBHS (পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বীমা) কার্ডধারী রোগীদের চিকিৎসা করতে অস্বীকার করতে পারবে না
✔ ১০% বেড সংরক্ষণ: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডধারীদের জন্য আলাদা বেডের ব্যবস্থা করতে হবে
✔ ওষুধের বিকল্প ব্যবস্থা: রোগীর পরিবার চাইলে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে পারবে, তবে তা নিয়ন্ত্রিত মূল্যে
প্রস্তাবিত সমাধান:
- খরচের সীমা পুনর্বিবেচনা: বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে চিকিৎসা খরচের নতুন কাঠামো তৈরি করা হবে
- ওষুধের মূল্য তালিকা: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য আলাদা মূল্য নির্ধারণের পরিকল্পনা
- নিরীক্ষা ব্যবস্থা: হাসপাতালগুলো নিয়মিত তদন্তের আওতায় আসবে
কেন এই সিদ্ধান্ত?
- জনগণের অভিযোগ: বহু নামী বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী কার্ড গ্রহণ করছিল না
- চিকিৎসার অসমতা: সরকারি হাসপাতালগুলোর উপর চাপ কমাতে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা জরুরি
পরবর্তী পদক্ষেপ:
✔ ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন গাইডলাইন জারি
✔ অস cooperative হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
#স্বাস্থ্যসাথী #WestBengalHealth #PrivateHospitals
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সতর্কবার্তা: “নতুন নিয়ম মেনে চলতে ব্যর্থ হলে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত হতে পারে!”