জালিয়াতি এড়াতে ঈদের ছুটিতে নির্ধারিত অ্যাপ অথবা টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেনার পরামর্শ বাংলাদেশ রেলওয়ের

ঈদ উপলক্ষে ট্রেনযাত্রীদের প্রতারণা ও হয়রানি এড়াতে নির্দিষ্ট অ্যাপ বা সরাসরি টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেনার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি ঠেকাতে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বাংলাদেশের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ মার্চ থেকে ঈদ-বিশেষ ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে কিছু অসাধু ব্যক্তি একাধিক পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অবৈধভাবে টিকিট কেনার চেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রেল মন্ত্রণালয়। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই ধরনের জালিয়াতির শিকার হলে যাত্রীদের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে এবং দুর্ভোগে পড়তে হতে পারে।
রেল মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদযাত্রার (২৪ থেকে ৩০ মার্চ) জন্য প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি) ব্যবহার করে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কেনা যাবে। টিকিট ক্রয়ের সময় সহযাত্রীদের নামও যুক্ত করতে হবে। একই নিয়ম ফিরতি ঈদযাত্রার ক্ষেত্রেও (৩ থেকে ৯ এপ্রিল) প্রযোজ্য হবে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে যাত্রীদের সতর্ক করা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই দালাল বা তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে টিকিট না কেনার জন্য। যাত্রীদের হয়রানি রুখতে স্টেশনে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সক্রিয় থাকবে বলে জানিয়েছে রেল মন্ত্রণালয়।
অনলাইন ও অফলাইন টিকিট কেনার নিয়ম:
✅ নির্দিষ্ট অ্যাপ: বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল অ্যাপ ও ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কেনা যাবে।
✅ কাউন্টার: যাত্রীরা সরাসরি রেলস্টেশনের নির্ধারিত কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
✅ পরিচয়পত্র: টিকিট কিনতে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা উপযুক্ত পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে হবে।
রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের মতে, এসব পদক্ষেপ যাত্রীদের হয়রানি কমাবে এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সহায়তা করবে।