অবশেষে মহাকাশ থেকে পৃথিবীর মাটিতে ফিরছেন সুনিতা-বুচ, মাস্ককে ধন্যবাদ ২ মহাকাশচারীর

মাত্র আট দিনের মিশন হতে গিয়েছিল নয় মাসের অপেক্ষা। অবশেষে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস ও তাঁর সহযাত্রী বুচ উইলমোর মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরছেন। তাঁদের এই ফেরার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে ইলন মাস্কের স্পেসএক্স।
২০২৪ সালের জুন মাসে বোয়িংয়ের স্টারলাইনার মহাকাশযান-এ চেপে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছিলেন সুনীতারা। এটি ছিল স্টারলাইনারের প্রথম ক্রু মিশন। প্রাথমিকভাবে আট দিনের মধ্যে তাঁদের ফেরার পরিকল্পনা থাকলেও, যান্ত্রিক সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি।
স্টারলাইনারে একাধিক প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়।সমস্যার কারণে মিশন বারবার পিছিয়ে যায়।শেষমেশ দুই মহাকাশচারীকে স্টেশনে রেখেই পৃথিবীতে ফিরে আসে স্টারলাইনার!
প্রায় নয় মাসের অপেক্ষার পর, সুনীতাদের ফিরিয়ে আনতে এগিয়ে আসে স্পেসএক্স। তাঁদের ফিরিয়ে আনতে রবিবার মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছয় স্পেসএক্সের ক্রিউ-১০ মহাকাশযান। এই মহাকাশযানেই চেপে পৃথিবীতে ফিরছেন সুনীতা উইলিয়ামস, বুচ উইলমোর, নাসার নভোচারী নিক হগ এবং রাশিয়ান নভোচারী আলেকজান্ডার গর্বুনভ।পৃথিবীতে ফেরার আগে ইলন মাস্ক ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুনীতা ও বুচ।
🗣️ বুচ উইলমোরের বক্তব্য:”মাস্ক এবং আমাদের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁরা আমাদের জন্য যা করেছেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”স্পেসএক্স কর্ণধার ইলন মাস্ক সেই ভিডিওবার্তা এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ শেয়ার করেন। উত্তরে তিনি হার্ট ও রকেট ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান।
নয় মাস মহাকাশে কাটানোর পর সুনীতা উইলিয়ামস ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য এ এক স্বস্তির মুহূর্ত। বোয়িংয়ের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এমন সমস্যার পুনরাবৃত্তি এড়াতে চাইছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলি। আপাতত, সবার চোখ সুনীতাদের প্রতীক্ষিত পৃথিবীতে ফেরার সেই মাহেন্দ্রক্ষণে!