১৩ বছর বয়সী নাবালিকাকে গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণ প্রতিবেশীর, জানাজানি হতেই গ্রেফতার যুবক

পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্যে একের পর এক পুলিশ কমিশনারেট তৈরি করা হয়েছে। সরকারের যুক্তি ছিল, এর ফলে অপরাধের সংখ্যা কমবে। কিন্তু ১৪ বছর পরেও কি সত্যিই অপরাধের সংখ্যা কমেছে? বিভিন্ন কমিশনারেট এলাকায় লাগাতার অপরাধের অভিযোগ ওঠায় এই প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মনেও দেখা দিয়েছে। অপরাধীরা পুলিশের ভয় না পেয়ে একের পর এক অপরাধ ঘটিয়ে চলেছে।
যেমন, হাওড়ার বালিতে এক নাবালিকার গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় ১৩ বছর বয়সী নাবালিকা বাড়িতে একাই ছিল। তখনই সুকুরু দাস ওরফে চিংড়ি নামে প্রতিবেশী যুবক নাবালিকার বাড়িতে ঢোকে। ছুরি বার করে নাবালিকাকে প্রাণে মারার ভয় দেখায় সে। এর পর কার্যত গলায় ছুরি ঠেকিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। বাড়ি ছাড়ার সময় সে নাবালিকাকে হুমকি দেয়, কাউকে কিছু জানালে তাকে প্রাণে মেরে ফেলবে।
নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন, তাঁর মেয়ে অঝোরে কাঁদছে। কী হয়েছে জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছু জানায়নি। কয়েক দিন আগে নাবালিকার ঠাকুরদা মারা গিয়েছিলেন। তাই তার বাবা ভেবেছিলেন, হয়তো সে কারণেই কাঁদছে। পরে নাবালিকা তার বৌদিকে সব কথা খুলে বলে।
এই ঘটনায় বালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতার পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযুক্ত সুকুরুকে গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনের ধারায় মামলা শুরু হয়েছে।