BigNews: বাংলাদেশকে উস্কানির ফল ভুগতে চলেছে পাকিস্তান, হাত পাততে হবে বিশ্বের কাছে

অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (আইএমএফ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তানের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধি ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
তিন মাস আগে আইএমএফ জানিয়েছিল, ২০২৫ সালে পাকিস্তানের জিডিপি ৩.২ শতাংশ থাকতে পারে। কিন্তু নতুন পূর্বাভাসে তা কমে ৩ শতাংশে নেমে আসার কথা বলা হয়েছে। একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক আপডেট: গ্লোবাল গ্রোথ ডাইভারজেন্ট অ্যান্ড আনসার্টেন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফ তাদের আন্তর্জাতিক আর্থিক মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। সেখানেই পাকিস্তানের জিডিপি ৩ শতাংশে নেমে আসার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আইএমএফ জিডিপি কমে যাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ না করলেও মনে করা হচ্ছে, পাকিস্তান সরকার বর্তমানে যেসব আর্থিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন, তারই প্রভাব জিডিপি বৃদ্ধিতে পড়বে। তবে, ২০২৬ সালে পাকিস্তানের জিডিপি ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আইএমএফ। গত মাসে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)-ও জানিয়েছিল, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পাকিস্তানের জিডিপি ৩ শতাংশ হতে পারে। এর আগে অবশ্য তারা ২.৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফ সরকার। জিডিপি আরও কমে গেলে ঋণের জন্য বিভিন্ন দেশের কাছে হাত পাতা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় থাকবে না।
বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে যে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার পেছনে পাকিস্তানের উস্কানি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, নিজের দেশের আর্থিক সংকট মোকাবিলা করতে গিয়ে পাকিস্তান আরও সমস্যায় পড়তে পারে। এখন দেখার বিষয় হলো, শাহবাজ শরিফ সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ নেয়।
সংক্ষেপে, আইএমএফের নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাকিস্তানের অর্থনীতিতে আরও কঠিন সময় আসতে চলেছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় দেশটির অর্থনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।