“কর্মীদের রবিবারেও কাজ করাতে চান L&T-র চেয়ারম্যান”- জেনেনিন রবিবার ছুটি শুরু হয়েছিল কবে ?

এলঅ্যান্ডটির চেয়ারম্যান এস এন সুব্রহ্মণ্যনের সপ্তাহে ৯০ ঘণ্টা কাজ করার এবং রবিবারেও কাজ করার পরামর্শ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই, কেন রবিবার ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয় তা নিয়ে একটি নিবন্ধ নিচে দেওয়া হলো:
কেন রবিবার ছুটি? ইতিহাস ও ধর্মীয় ব্যাখ্যা
এলঅ্যান্ডটির চেয়ারম্যান এস এন সুব্রহ্মণ্যনের সপ্তাহে ৯০ ঘণ্টা কাজ করার পরামর্শ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর রবিবার ছুটি থাকার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। রবিবার শুধু ভারতে নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই ছুটির দিন। কিন্তু কেন এই দিনটিকেই ছুটির জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে?
যদিও এর কোনো সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই, মনে করা হয় ভারতে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের জনক নারায়ণ মেঘাজি লোখান্ডের প্রচেষ্টায় রবিবারের ছুটি শুরু হয়েছিল। ব্রিটিশ শাসনামলে, ব্রিটিশ অফিসাররা রবিবার গির্জায় যেতেন, কিন্তু শ্রমিকদের কোনো সাপ্তাহিক ছুটি ছিল না। লোখান্ডে শ্রমিকদের এই দুর্দশা উপলব্ধি করে ব্রিটিশ সরকারের কাছে রবিবারকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। দীর্ঘ போராட்டের পর, ১৮৯০ সালের ১০ জুন ব্রিটিশ সরকার রবিবারকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করে।
কিন্তু কেন রবিবারকেই ছুটির দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল? এর প্রধান কারণ হল ব্রিটিশরা নিজেরাই এই দিনে ছুটি উপভোগ করত এবং এই দিনে তাদের ধর্মীয় উপাসনা করত।
ধর্মীয় কারণ:
রবিবার ছুটির পেছনে কিছু ধর্মীয় ব্যাখ্যাও রয়েছে:
হিন্দু ধর্ম: হিন্দু ধর্মানুসারে, সপ্তাহ শুরু হয় সূর্যের দিন অর্থাৎ রবিবার থেকে।
খ্রিস্ট ধর্ম: খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করে ঈশ্বর ৬ দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং সপ্তম দিনে বিশ্রাম নিয়েছেন। সেই কারণে রবিবার তাদের কাছে বিশ্রামের দিন।
ইসলাম ধর্ম: অনেক মুসলিম দেশে শুক্রবার জুম্মার নামাজের জন্য ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।
তবে, পশ্চিমা দেশ সহ আমেরিকা, কানাডা, চিন, ফিলিপিন্স এবং দক্ষিণ আমেরিকার মতো অনেক দেশে রবিবারই প্রধান ছুটির দিন। আমেরিকা ও কানাডার আইন অনুযায়ী, বেশিরভাগ সরকারি অফিস শনিবার ও রবিবার বন্ধ থাকে।