‘টুনি বাল্ব’ এখন বাতিল, চন্দন নগরের ঐতিহ্য এখন ধরে রাখছে কোন আলো? জেনেনিন বিস্তারিত

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর আলোকসজ্জা কয়েক দশক ধরেই সারা দেশে পরিচিত। এই আলোকসজ্জার শুরুটা হয়েছিল খুবই সাধারণভাবে, বাঁশের ফ্রেমে টুনি বাল্ব জ্বালিয়ে। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে চন্দননগরের আলোকসজ্জাও বদলেছে। আজকাল এখানে এলইডি এবং পিক্সেল লাইট ব্যবহার করা হয়।
চন্দননগরের আলোকসজ্জার শুরুটা হয়েছিল বাঁশের ফ্রেমে টুনি বাল্ব জ্বালিয়ে।ধীরে ধীরে আলোকসজ্জায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।টুনি বাল্বের জায়গায় এসেছে এলইডি এবং পিক্সেল লাইট।আলোর সিকোয়েন্স তৈরি করতে এখন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ব্যবহার করা হয়।চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিদেশেও আলোকসজ্জার কাজ করেছেন।
শ্রীধর দাস নামে একজন শিল্পী জলের নিচে টিউবলাইট জ্বালিয়ে আলোকসজ্জার একটি নতুন ধারা শুরু করেছিলেন। কালক্রমে টুনি বাল্বের জায়গায় এলইডি আলো এবং এখন পিক্সেল লাইট ব্যবহার করা হচ্ছে।
শ্রীধর দাস, বাবু পালের মতো শিল্পীরা চন্দননগরের আলোকসজ্জাকে বিশ্বমানে পৌঁছে দিয়েছেন।আজকাল অরিন্দম সরকার, সোমরাজ সরকার, দীপক সাউ প্রমুখ শিল্পীরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আলোকসজ্জা করছেন।
চন্দননগরের আলোকসজ্জা এক দীর্ঘ ইতিহাস এবং ঐতিহ্য বহন করে। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই আলোকসজ্জাও পরিবর্তিত হয়েছে। তবে চন্দননগরের আলোকশিল্পীরা আজও এই ক্ষেত্রে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।