ভারতীয় ব্য়াঙ্কে ‘ভুতুড়ে’ টাকা বেড়ে 78213 কোটি! হিসেব দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া

ভারতের সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিতে প্রচুর পরিমাণে অর্থ পড়ে আছে যার কোন দাবিদার নেই। এই অর্থ, যা “দাবিদারহীন টাকা” নামে পরিচিত, বছরের পর বছর ধরে জমা হচ্ছে এবং এর পরিমাণ বিশাল আকার ধারণ করেছে।

আর্থিক বছর 2023-24-এর মার্চ মাসের শেষে, দাবিদারহীন টাকার পরিমাণ 78,213 কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় 26% বেশি।
এই অর্থ গত 10 বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে জমা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সমবায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানও।
ব্যাঙ্কগুলি এই অর্থ “ডিপোজিটর এডুকেশন অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস ফান্ডে” (DEA ফান্ড) জমা করে, যা RBI দ্বারা পরিচালিত হয়।

নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট: অনেক অ্যাকাউন্ট বছরের পর বছর ধরে অব্যবহৃত রয়ে যায়, যার ফলে এগুলিকে “নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট” হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

মৃত্যু: অ্যাকাউন্টধারীদের মৃত্যুর কারণেও অনেক অ্যাকাউন্ট দাবিদারহীন হয়ে পড়ে, যদি তাদের উত্তরাধিকারীরা তাদের দাবি করতে ব্যর্থ হয়।
সচেতনতার অভাব: অনেক লোকই জানেন না যে তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি “নিষ্ক্রিয়” হয়ে গেছে, এবং তাই তারা তাদের অর্থ দাবি করতে পারে না।

উদগম পোর্টাল: RBI “উদগম” নামে একটি পোর্টাল চালু করেছে যা লোকেদের তাদের দাবিদারহীন অ্যাকাউন্টগুলি সনাক্ত করতে সাহায্য করে।

সচেতনতা বৃদ্ধি: ব্যাঙ্কগুলি এবং সরকারকে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট এবং দাবিদারহীন অর্থের বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য আরও বেশি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

DEA ফান্ডের ব্যবহার: DEA ফান্ডের অর্থ শিক্ষা, আর্থিক সাক্ষরতা এবং অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

সোনার বন্ড:

RBI সোনার বন্ড বিক্রি করে, যা বিনিয়োগকারীদের সোনার দামের উপর রিটার্ন এবং আয়কর সুবিধা প্রদান করে।
গত আর্থিক বছরে, সোনার বন্ডে বিনিয়োগ 27,031 কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় চার গুণ বেশি।