“বিমানে বোমা রয়েছে, ৩০ মিনিটের মধ্যে বিস্ফোরণ!” শৌচালয়ে চিরকুট পেয়েই তৎপর পাইলট

উড্ডয়নের আগেই ইন্ডিগোর একটি বিমানে বোমাতঙ্কের খবর ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে বিমানে সব যাত্রীদের নামিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। কিন্তু বিমানে সন্দেহজনক কোনো বস্তুর সন্ধান মেলেনি। মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে দিল্লি বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে।
দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপৎকালীন দরজা দিয়ে সব যাত্রীকে বিমানের বাইরে আনা হয়। প্রত্যেকেই নিরাপদে আছেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ইন্ডিগোর একটি বিমান বারাণসী উড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রানওয়ে থেকে ওড়ার আগ মুহূর্তে বোমা রাখার হুমকি-বার্তা আসে। এরপরেই তড়িঘড়ি করে বিমানের যাত্রীদের নামিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিমানের ভেতর সন্দেহজনক কোনও বস্তুর সন্ধান মেলেনি।
দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, আপৎকালীন দরজা দিয়ে সব যাত্রীকে বিমানের বাইরে আনা হয়। প্রত্যেকেই নিরাপদে রয়েছেন। বিমানে মোট কতজন যাত্রী ছিলেন, তা জানা যায়নি।
দিল্লির দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়, ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে তাদের কাছে খবর আসে যে, বারাণসীগামী একটি বিমানে বোমা রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই বিমানবন্দরে পৌঁছায় দমকলের একটি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)।
জানা গিয়েছে, বিমানের শৌচালয়ে কাগজের একটি টুকরো দেখতে পান বিমানের পাইলট। চিরকুটটিতে লেখা ছিল , ‘BOMB BLAST @30 MINUTES’ (৩০ মিনিটের মধ্যেই বোমা বিস্ফোরণ)। এই বার্তা পেয়েই পাইলট তৎপরতার সঙ্গে খবর দেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। এরপর নিরাপত্তাবাহিনী দ্রুত বিমানের কাছে পৌঁছয়।
সোমবারই মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল এবং শিবাজি বিমানবন্দরে বোমা রাখা আছে বলে একটি ফোন আসে মুম্বাই পুলিশের কাছে। যদিও তল্লাশি অভিযানে কিছুই মেলেনি।
কিছুদিন আগেও দিল্লি বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বিমানের শৌচাগারে একটি সাদা কাগজ পাওয়া যায়, যার ওপরে লেখা ছিল ‘বোমা’। তারও আগে দিল্লির একাধিক স্কুলে বোমা রাখা রয়েছে বলে ইমেল আসে পুলিশের কাছে। তদন্তে প্রমাণিত হয় সেগুলো ভুয়া ছিল।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা