Cyclone: ৬২৬টি ত্রাণ শিবির চালু, প্রস্তুত NDRF! ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জোর প্রস্তুতি

ঘূর্ণিঝড় রিমেল এখন একটি প্রবল ঘূর্ণঝড়ে পরিণত হয়েছে। আজ রাতের মধ্যেই সাগরদ্বীপ এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়ার কাছে এটি ল্যান্ডফল করবে বলে আশঙ্কা। ঝড়ের ফলে সুন্দরবন ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
প্রস্তুতি:
সুরক্ষা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকা থেকে ১.৪ লক্ষেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ত্রাণ শিবির: সরিয়ে নেওয়া মানুষদের থাকার জন্য ৬২৬টি ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে।
মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা: সোমবার পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
সম্ভাব্য ক্ষতি:
জলোচ্ছ্বাস: সাধারণ জোয়ারের চেয়ে ১-২ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস আসার আশঙ্কা রয়েছে, ফলে নিম্ন-ভূমি এলাকাগুলো তলিিয়ে যেতে পারে।
ভারী বৃষ্টি: সুন্দরবন ও উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে, ফলে হঠাৎ বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।
ঝোড়ো হাওয়া: ১১০-১২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, যা খড়ের চাল, গাছপালা ও বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
বর্তমান অবস্থা:
রবিবার সন্ধ্যের হিসাবে, ঘূর্ণিঝড়টি সাগরদ্বীপের ১৬০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে এবং ক্যানিং এর ১৯০ কিমি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
ঘূর্ণিঝড়টি প্রতি ঘণ্টায় ৭ কিমি গতিতে উত্তর দিকে এগিয়ে আসছে এবং আরও শক্তিশালী হবে বলে আশঙ্কা।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জন্য আবহাওয়া দফতর লাল সতর্কতা জারি করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
ঘূর্ণিঝড় রিমেল সুন্দরবন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকার জন্য একটি প্রধান হুমকি।
ঝড়ের প্রভাব কমাতে কর্তৃপক্ষ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।
আক্রান্ত এলাকার বাসিন্দাদের অনুরোধ করা হচ্ছে যাতে তারা সব ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করে এবং নিরাপদ স্থানে থাকে।