২০১৪ সালের প্রাথমিক TET-এও ব্যাপক অনিয়মের ইঙ্গিত, হাইকোর্টে রিপোর্ট দিলো CBI

২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট (TET) পরীক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআই রিপোর্টে ব্যাপক বেনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে বাইরের লোক নিয়োগ, ফেল করাদের পাস হিসেবে দেখিয়ে নিয়োগ-সহ একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে।সিবিআই তদন্তে জানা গেছে যে, ডিজিটাল ডেটা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।

এই টেট মামলার ফল যদি নেতিবাচক হয়, তাহলে এর উপর ভিত্তি করে হওয়া সব নিয়োগ মামলা অস্তিত্ব হারাবে।ফলে গত চার দফায় যে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক প্রাথমিকে নিয়োগ হয়েছে, তাদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হবে বলে আশংকা আইনজীবীদের।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার উপরে ২০১৬, ২০২০, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছে। আদালত এদিনের পর্যবেক্ষণে বিষয়টি উল্লেখ করে জানিয়ে দেয়, এই টেট মামলার ফল যদি নেতিবাচক হয়, তাহলে এর উপর ভিত্তি করে হওয়া সব নিয়োগ মামলা অস্তিত্ব হারাবে।

আট সপ্তাহ পরে মামলার শুনানি।তার আগে সব পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে।সিবিআইকে ওএমআর শিটের প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করতে হবে।
সিবিআইকে ডিজিটাল ডেটা বের করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে যাওয়ারও ছাড়পত্র দেওয়া হয় সিবিআইকে।

এই মামলার ফলে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।শিক্ষকদের চাকরি হারানোর ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার উপরও প্রভাব পড়তে পারে।