ED -জমা দিলো কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট, অসন্তোষ প্রকাশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ মোড়। ‘কালীঘাটের কাকু’ খ্যাত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর (Sujoy krishna Bhadra) কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে এত টালবাহানার পর বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রিপোর্ট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorates) বা ইডি।
কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর অবশেষে ফরেন্সিক রিপোর্ট আদালতে পেশ করা হলেও, রিপোর্ট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
ইডির রিপোর্টে কী রয়েছে?
পাঁচ পাতার রিপোর্টের তিন পাতায় ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের তথ্য রয়েছে।বাকি দু’পাতায় প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির সার্বিক তদন্তের রিপোর্ট।
‘রিপোর্ট এত সংক্ষিপ্ত কেন?’ – এই নিয়েই অসন্তুষ্ট হন বিচারপতি সিনহা।
এখনও পর্যন্ত ‘লিপস অ্য়ান্ড বাউন্ডস’ এর মোট ১৩৪ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানায় ইডি।বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “অভিযোগ উঠেছে যে টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হয়েছে। এটা একটা স্ক্যাম। সত্যিই কি চাকরি বিক্রি হয়েছে? তার কি কোনও প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন? এই টাকার উৎস কী জানতে আপনারা কি কোনও পদক্ষেপ করেছেন?”
ইডির আইনজীবী জানায়, ‘ আরও কিছু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছ থেকে তার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। প্রতিদিনই তদন্ত এগিয়ে চলেছে।’
বিচারপতির অসন্তোষের কারণ:
রিপোর্ট খুবই সংক্ষিপ্ত।বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ অত্যন্ত কম।’চাকরি বিক্রি’র অভিযোগের প্রমাণ নেই।টাকার উৎস সম্পর্কে তদন্তের অগ্রগতি নেই।
এই রিপোর্ট প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরবর্তী শুনানিতে আদালত আরও নির্দেশ দিতে পারে।