বিশেষ: ২০২৪ ভোটেও উরি-বালাকোট সেন্টিমেন্টই কি অস্ত্র মোদীর? জেনেনিন কেন উঠছে এই প্রশ্ন?

পাকিস্তানের বালাকোটে ২০১৯-এর ২৬ ফেব্রুয়ারি এয়ারস্ট্রাইক করে পাকিস্তনের জঙ্গি ঘাঁটি গুলি উড়িয়ে দিয়েছিল ভারতের বীর বায়ু সেনা। মূলত পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানোর জবাব বেশ ভালো করেই দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
আর সেই ঘটনা প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন সেই সময় ভোটার ঠিক আগে পাকিস্তানকে দেয়া যোগ্য জবাব বিজেপিকে এডভ্যান্টেজ পাইয়ে দিয়েছিল। আর এবারও বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা ও ভাষণে সেই সেনাদের বীরত্বের কথা তুলে ভোটে কি লাভ তুলতে চাইছে বিজেপি?
ঠিক যেমন বৃহস্পতিবার উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশে দাঁড়িয়ে মোদিকে বলতে শোনা গেল, ‘মজবুত মোদী সরকারের আমলে আতঙ্কবাদীদের ঘরে ঢুকে মারা হয়।’
সেই দিনেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথের হুঁশিয়ারি, ‘পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসের মাধ্যমে ভারতে অশান্তি ছড়াতে চায়, ফল ভালো হবে না। তবে পাকিস্তান যদি নিজেদের মাটি থেকে সত্যিই সন্ত্রাস মুছে ফেলতে চায়, কিন্তু না পারে, তা হলে ভারত তাদের সাহায্য করতে প্রস্তুত।’
তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘এদেশে সন্ত্রাসহানা চালিয়ে জঙ্গিরা যদি পাকিস্তানে পালিয়ে যায়, তবে ভারত পাকিস্তানে ঢুকেই জঙ্গিদের মেরে আসবে।’
মোদীকে বলতে শোনা গেল, ‘এখন ভারতে শক্তিশালী সরকার রয়েছে। তাই আতঙ্কবাদীদের ঘরে ঢুকে মারা হয়। ভারতীয় তেরঙা যুদ্ধক্ষেত্রেও নিরাপত্তার গ্যারান্টি হয়ে উঠেছে। সাত দশক পরে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করেছে এই সরকার, তিন তালাকের বিরুদ্ধে আইন এনেছে। দেশে যখন দুর্বল সরকার ছিল, শত্রুরা তার পুরোদস্তুর সুযোগ নিয়েছে। কংগ্রেসের শাসনে সেনারা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটও পেতেন না। শত্রুদের বুলেট থেকে আমাদের সেনাকে বাঁচানোর কোনও ব্যবস্থা ছিল না। বিজেপি সরকারই ভারতে তৈরি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ভারতীয় সেনাকে দিয়েছে, তাঁদের প্রাণ বাঁচিয়েছে। আজ আধুনিক রাইফেল থেকে যুদ্ধবিমান— সব ভারতেই তৈরি হচ্ছে।’