পাতে জেলের ডালিয়া-রুটি! ২৪ ঘণ্টা CCTV নজরদারি, তিহাড়ে কেমন গেল কেজরির প্রথম রাত?

আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত কারবাসের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত। সোমবার দিল্লির রোজ এভিনিউ আদালত এই রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোমবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে নেয়া হয় কেজরিওয়ালকে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) পক্ষ থেকে এদিন কেজরিওয়ালকে নিজেদের হেফাজতে চাওয়া হয়নি। এই মুহূর্তে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই বলে উল্লেখ করেছেন ইডির আইনজীবী এস ভি রাজু।

এরপর পরই কেজরিওয়ালকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক কাবেরী বাজেওয়া। আদালতের নির্দেশের পরেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৪টে বেজে ২ মিনিটে তিহাড় জেলের ২ নম্বর সেলে প্রবেশ করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। প্রথম তাঁকে জেলের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। নাম, পরিচয়, ঠিকানা লেখাতে হয় আর পাঁচজন কয়েদির মতোই। এরপরই হয় তাঁর মেডিক্যাল চেক আপ। তারপর নিজস্ব সেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কেজরিওয়ালকে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে তাঁর উপর ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হচ্ছে। তিহাড় জেলের ডিজি খোদ এই ক্যামেরায় চোখ রাখছেন।

তাঁর সেলে একটি টেলিভিশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাইব্রেরী থেকে বই আনিয়েও পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেজরিওয়ালকে।

জেলের মেনু
সকাল সাড়ে ৬টার সময় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দেওয়া হয় ডালিয়া এবং এক কাপ চা। সাড়ে ১০টার সময় সবজি, ডাল, ভাত এবং পাঁচটি রুটি দেওয়া হবে। দুপুর সাড়ে ৩টের সময় চা এবং দু’টি বিস্কুট পাবেন কেজরিওয়াল। প্রত্যেকদিন অন্য কয়েদিদের মতো তিনিও পাঁচ মিনিট করে ফোনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। সন্ধ্যা ৭টার সময় ডাল, সবজি, ভাত এবং রুটি দেওয়া হবে ডিনারে। তারপর থেকে গোটা রাত সেলের ভিতরই বন্দি জীবন কাটাতে হবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে।