CAA-থেকে মুসলমানদের কেন দূরে রাখা হল? মোদী সরকারের প্ল্যানিং কী! জেনে নিন বিস্তারিত

সংসদে পাস হওয়ার প্রায় পাঁচ বছর পর ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) চালু করা হয়েছে। আর কয়েকদিন পরেই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। তার আগে সিএএ কার্যকর করার কথা ঘোষণা করা হলো।
তবে বিল পাশের ৪ বছর পর কার্যকর হওয়া এই ‘সিএএ’ আসলে কী? ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন আর বর্তমান সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের পার্থক্যটাই বা কী? কেনই বা সিএএ নিয়ে এত বিতর্ক?
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ কী?
পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতেই আনা হয় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)। ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হলেও বিধি নিয়ে জট থাকায় তা এতদিন বলবৎ করা যায়নি। সোমবার সন্ধ্যায় গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে অবশেষে তা কার্যকরি করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। লোকসভা ভোটের আবহে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
মুসলিমরা কেন এই আইন থেকে বঞ্চিত?
প্রশ্ন হল শুধু অমুসলিমদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রয়োজন কেন, মুসলিমদেরকে তাতে অন্তর্ভুক্ত করা হল না কেন? এই আইন থেকে মুসলিমরা কেন বঞ্চিত হলো তা জানা জরুরি?
সরকারের যুক্তি ছিল, এইসব দেশে সংখ্যালঘুরা কমছে এবং ধর্মের ভিত্তিতে তারা নিগৃহীত হচ্ছে, তাই তাদের জন্য এই আইন।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ২০১১ সালে বাংলাদেশে যখন আদমশুমারি করা হয় তখন অমুসলিমদের জনসংখ্যা কমে ৯.৪ শতাংশে নেমে যায়। তার মানে অমুসলিমদের জনসংখ্যা, যা ১৯৫১ সালে ২৩.৪ ছিল, এখন ৯.৪ হয়েছে।