“নোটের বদলে ভোট মামলায় অভিযুক্তদের রক্ষাকবচ নয়”-রায় দিলো সুপ্রিম

সুপ্রিম কোর্ট সোমবার এক ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে যে, সংসদ বা বিধানসভায় নির্বাচনে ঘুষ নিয়ে ভোট দিলে তা ফৌজদারি মামলার আওতায় আসবে। এর আগে ২০ বছর আগে ১৯৯৮ সালে শীর্ষ আদালত ঘুষ সংক্রান্ত মামলায় সাংসদ বা বিধায়কদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না বলে জানিয়েছিল।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ পুরনো সেই রায়কে বাতিল করে দিয়েছে। এই রায় লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
১৯৯৮ সালে পিভি নরসিংহ রাও বনাম রাষ্ট্রের একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল সাংসদ ও বিধায়করা বক্তৃতা এবং ভোটের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যাপারে ঘুষের জন্য ফৌজদারি মামলার আওতায় পড়বেন না।২০১২ সালে ঝাড়খণ্ড মুক্তি বিধায়ক সীতা সোরেনের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।সিবিআই তদন্তে সীতা সোরেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।২০১৪ সালে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট মামলাটি খারিজ করতে রাজি হয়নি।২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হয়।
পুরনো রায়কে বাতিল করে ঘুষ সংক্রান্ত অভিযোগে ফৌজদারি মামলা করা যাবে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।ভোটারদের ঘুষ নিয়ে ভোট দেওয়া একটি অপরাধ এবং এটি গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।এই রায় দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই রায় দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।এটি ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং তাদের ঘুষের প্রতিরোধ করতে উৎসাহিত করবে।
এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করবে।