“কেন অ্যারেস্ট হবেন না পুলিশ অফিসারই”-তীব্র ভৎসর্না করলো হাইকোর্ট

মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ সন্দেশখালির প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে তাকে মুক্তির নির্দেশ দেন। আদালত পুলিশের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং কটাক্ষ করে বলে, “পুলিশ তো দারুণ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছে। কীভাবে একজন নাগরিককে এভাবে হেফাজতে নিতে পারে পুলিশ?”

পুলিশ ৯ ফেব্রুয়ারি এফআইআর দায়ের করে, যখন অভিযোগপত্রের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি।এই অভিযোগের ভিত্তিতেই নিরাপদ সর্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়।আদালত প্রশ্ন করে, “এভাবে একজন দেশের নাগরিককে গ্রেপ্তার করা যায়? এতদিন হেফাজতে আছেন উনি, কে ক্ষতিপূরণ দেবেন? কেন এই পুলিশ অফিসারদের গ্রেপ্তার করে এঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না?”এনিয়ে বসিরহাট জেলা পুলিশের পুলিশ সুপারের ব্যাখ্যা-সহ রিপোর্ট তলব করেছে আদালত।

নিরাপদকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতে শুনানির সময়ে রোজ হাজিরা দিতে হবে।সাক্ষীদের কোনওভাবে হুমকি দেওয়া বা প্রভাবিত করা যাবে না।
তথ্য বিকৃত করা যাবে না।যদি জামিনের শর্ত তিনি না মানেন, তাহলে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়াই নিম্ন আদালত জামিন খারিজ করতে পারবে।

সন্দেশখালির ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে কলকাতায় ময়দানে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে গেরুয়া শিবিরের ধর্নায় অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ।আদালত শর্ত দিয়েছে, মাইক-লাউডস্পিকার ছাড়া ধর্না কর্মসূচি করতে হবে।১৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মী-সমর্থকের জমায়েত করা যাবে না।আজ, বুধ ও কাল, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ⁶টা পর্যন্ত ধর্না চালানো যাবে।