OMG! অ্যান্টিবায়োটিকের দেদার অপব্যবহার, মানুষের রেজ়িস্ট্যান্স উঠছে চরমে

অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি এবং এর সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রেসক্রিপশনে অযৌক্তিক অ্যান্টিবায়োটিক:
ডাক্তাররা প্রায়শই ভাইরাল সংক্রমণের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক লিখে থাকেন, যা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় কারণ অ্যান্টিবায়োটিক কেবল ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণেরবিরুদ্ধে কাজ করে।ল্যারিঞ্জাইটিস, ডায়রিয়া, মূত্রনালীর সংক্রমণের মতো রোগে অ্যান্টিবায়োটিক লেখার ক্ষেত্রে প্রায়শই সঠিক রোগ নির্ণয় করা হয় না।অতি মহার্ঘ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে, যা অপ্রয়োজনীয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স:
অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহারের ফলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের ফলে সাধারণ সংক্রমণও জটিল এবং অসার্য হয়ে উঠতে পারে।এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় হুমকি।

সমাধান:
ডাক্তারদের অ্যান্টিবায়োটিক লেখার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হবে এবং কেবলমাত্র যখন প্রয়োজন তখনই লিখতে হবে।রোগীদেরও অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং অপ্রয়োজনে ডাক্তারদের কাছে অ্যান্টিবায়োটিকসরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত র‍্যান্ডম প্রেসক্রিপশন অডিট করা উচিত।অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক লেখার জন্য চিকিৎসকদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত।

চিকিৎসকদের ভূমিকা:
চিকিৎসকদের রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হবে এবং অ্যান্টিবায়োটিক লেখার আগে সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।রোগীদের সাথে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার সম্পর্কে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে।অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প চিকিৎসা সম্পর্কে রোগীদের অবগত করতে হবে।

রোগীদের ভূমিকা:
রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং অপ্রয়োজনে ডাক্তারদের কাছে অ্যান্টিবায়োটিকডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেনা বা খাওয়া উচিত নয়।অ্যান্টিবায়োটিকের পূর্ণ কোর্স শেষ করতে হবে।